ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব: নাহিদ


দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব: নাহিদ

  • আপলোড সময় : শনিবার ২৯ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৪:৪২ পিএম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে গোটা বিশ্ব জানতে পারবে বাংলাদেশ আসলে স্থিতিশীল হবে কি না। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এবং শান্তিপূর্ণ ট্রানজিশনের মাধ্যমে দেশ সত্যিকারের স্থিতিশীলতার পথ ধরে যাবে কি না, সেটাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, "আমাদের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে শান্তিপূর্ণভাবে এই ট্রানজিশন ঘটানো। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে অস্থিরতা অব্যাহত থাকবে।" শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনীতি সম্মেলন ২০২৫’-এ তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম আরও জানান, অনেকেই শিক্ষা খাত সংস্কারের কথা বলছেন, যা তিনি সঙ্গত মনে করেন। তবে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার কারণে তা রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয় এবং সেই চেষ্টা করাও ঠিক হবে না। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ অপরিহার্য। তিনি বলেন, "গত ১৬ বছরে আমরা অর্থনৈতিকভাবে যে ধ্বংস দেখে এসেছি, তা একবারে বদলানো যায় না। অন্তত এক থেকে দেড় বছর বা ১৮ মাসে সম্ভব নয়।"

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পেছনে জনগণ বিশেষ করে তরুণরা রাজপথে নেমেছিল। তাদের অর্থনৈতিক অনুপ্রেরণা ও আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে সেই আন্দোলন ঘটে। সেই সমস্যাগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত ও সমাধান করতে পারলে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সংস্কারের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, তরুণরা প্রথম বিদ্রোহ শুরু করেছিল ভ্যাটবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে। এরপর ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের আন্দোলন মূলত ২০১৮ সালের আন্দোলনের ধারাবাহিকতা। এ আন্দোলনগুলো ছিল চাকরি, কর্মসংস্থান এবং শিক্ষার অধিকার নিয়ে। ২০১৮ সালের বছরেই নিরাপদ সড়ক আন্দোলন শুরু হয়, যা কিশোর বিদ্রোহ হিসেবেও পরিচিত।

নাহিদ ইসলাম জানান, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন মূলত নগর পরিকল্পনার একটি প্রশ্ন। ঢাকাসহ দেশের বড় বড় শহরে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বায়ুদূষণ, পরিবেশ দূষণ, ট্রাফিক জ্যাম, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানহীনতা এবং বাড়তি বাসা ভাড়া ইত্যাদি সমস্যা বাড়ছে। এসব কারণে মধ্যবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত পর্যায়ের মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, "নগর পরিকল্পনার অভাবে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যেখানে তরুণরা বেঁচে থাকতে পারছে না।"

আকাশজমিন / আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর