ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

গুম-খুন মামলায় সেনাবাহিনী নয়: চিফ প্রসিকিউটর


গুম-খুন মামলায় সেনাবাহিনী নয়: চিফ প্রসিকিউটর

  • আপলোড সময় : বুধবার ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৫:০৪ পিএম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করা দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয় এই বিচার। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে র‌্যাবের টিএফআই সেলে বিরোধী মতাদর্শের লোকদের গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় যে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছে, তা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয়।

৩ ডিসেম্বর দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে গুম মামলায় সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির পর তিনি এই মন্তব্য করেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে এই বিচারকে সংযুক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন, যা তারা শুনানির সময় লক্ষ্য করেছেন।

তিনি আরও জানান, “র‌্যাবের যেসব কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে, তাদের ভার্চুয়াল শুনানির সুযোগ দেয়ার আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেছে। এই বিচার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয়, কারণ আসামিরা তখন র‌্যাবে কর্মরত ছিলেন এবং সামরিক শৃঙ্খলার বাইরে থেকে অপরাধ করেছেন।”

আদালত জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী সব নাগরিক সমান এবং আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুরুতর। তাদের সবাইকে সমান সুবিধা দেয়া হবে, তবে কেউ সাজাপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ বলে গণ্য হবেন। তবে আসামিরা অন্য আসামিদের মতো অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন না।

আদালতে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষে আগামী ১৪ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে অনেকে পলাতক রয়েছেন।

সেনানিবাস থেকে ১০ জন সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। তাদের মধ্যে র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, কর্নেল কেএম আজাদ প্রমুখ রয়েছেন। পলাতক আসামিদের জন্য সাতদিনের মধ্যে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলাটি মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি গুরুতর বিষয়। ৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর থেকে এই মামলা নিয়ে নানা শোনানি ও তদন্ত চলছে। গত ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজতে থাকা আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।

চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, “এই বিচার দেশের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয়, যারা স্বাধীনতার জন্য কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে নয়। আসামিরা সামরিক শৃঙ্খলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে র‌্যাবে কর্মরত অবস্থায় এই অপরাধ করেছেন।”

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর