ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ

সপ্তডিঙা সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে গুণীজন সম্মাননা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:১০ পিএম

গত ৬ ডিসেম্বর, শনিবার ধানমন্ডি ক্লাব, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল “সপ্তডিঙা সাংস্কৃতিক সংগঠন”-এর আয়োজনে “হেমন্ত উৎসব” শীর্ষক গান, কবিতা ও কথামালার মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান। এ আয়োজনটি পরিচালনা করেন হুমায়ূন কবির ও সমীর বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সপ্তডিঙার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী কচি সরকার।

এই বিশেষ আয়োজনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা তিমির নন্দী। আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক ও পৃষ্ঠপোষক আনিসুজ্জামান ভুঁইয়া রানা, বিশ্ব সংগীত কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও রোম প্রবাসী বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী জাকারিয়া কাজী এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এডামস। তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত ও সাফল্যমণ্ডিত।


অনুষ্ঠানে গুণীজন সম্মাননা প্রদান করা হয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের। সম্মাননা পেয়েছেন বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী তিমির নন্দী, সংগীতশিল্পী জাকারিয়া কাজী, বিশিষ্ট অভিনয়শিল্পী তুষার খান, বাংলাদেশ নারী লেখক সোসাইটির কেন্দ্রীয় সভাপতি, কবি ও কথাসাহিত্যিক শেলী সেনগুপ্তা, চিকিৎসা সেবায় ডা. সেরাজুল ইসলাম, সমাজসেবক আনিসুজ্জামান ভুঁইয়া রানা এবং বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক ঊষসীর সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির।

সম্মাননা গ্রহণের পর অতিথিরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। অভিনেতা তুষার খান বলেন, “আমাকে যদি এই সংগঠনের একজন সদস্য হিসেবে গ্রহণ করেন তবে আমি ধন্য হবো।” তিমির নন্দীও অনুষ্ঠানের প্রশংসা করেন এবং আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। উপস্থিত ব্যক্তিরা সংগঠনের এমন সাংস্কৃতিক আয়োজনকে সময়োপযোগী এবং সমাজে সাংস্কৃতিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরু হয় জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে, এরপর ছিল দলীয় সঙ্গীত পরিবেশনা। পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল মনোমুগ্ধকর সঙ্গীত ও কবিতা পরিবেশনা। গান পরিবেশন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তিমির নন্দী, কাজল রেখা, ফারজানা সিলভিয়া, রিজবী লোটাস, রাফিয়া আমিন, জাকারিয়া কাজী, শিমুল পারভীন, মলয় দাদা, জয়ন্ত আর্চায্য, মোখলেছুর রহমান মিন্টু, বিপ্লবী কর্মকার, উপমা সরকার, নাসির আহমেদ, লাভলী, হুমায়ূন কবিরসহ আরও অনেক শিল্পী। এছাড়া কবিতা আবৃত্তি করেন কয়েকজন দক্ষ বাচিক শিল্পী, যা দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করে।


সভাপতির বক্তব্যে কচি সরকার বলেন, “সপ্তডিঙা সবসময়ই শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করে এসেছে। আগামী দিনগুলোতেও আরও সুন্দর ও মানসম্মত অনুষ্ঠান উপহার দেওয়ার চেষ্টা থাকবে।” তিনি ভবিষ্যতে আরও বর্ণিল আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেন।

অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় ছিলেন এডামস, আমিনুল ইসলাম ও হুমায়ূন কবির। সবার আন্তরিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়। শেষে রাতের ডিনারে অতিথি, শিল্পী ও উপস্থিত সবাইকে আপ্যায়িত করা হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ, যা সকলের মনে আনন্দ ও তৃপ্তির ছাপ রেখে যায়।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর