ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

বিএনপির সমঝোতা

২৮ আসনে শরিকদের প্রার্থী, বাকি ২৭২তে দলীয় মনোনয়ন


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৭:০২ পিএম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে বিএনপি ‘যুগপৎ’ আন্দোলনের শরিক সাতটি দলের সঙ্গে সমঝোতা করেছে এবং আরও আটটি আসন তাদেরকে বরাদ্দ দিয়েছে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সমঝোতার তালিকা ঘোষণা করেন।

সমঝোতার আওতায় বিএনপি নির্দিষ্ট আসনগুলোতে কোনো প্রার্থী দেবে না এবং শরিক দলগুলোকে ওই আসনগুলোতেই প্রার্থী দেওয়ার শর্তে এই সমঝোতা করা হয়েছে। বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, নড়াইল-২ আসনে এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, যশোর-৫ আসনে ইসলামী ঐক্য জোটের মুফতি রশিদ বিন ওয়াক্কাস, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ঝিনাইদহ-৪ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি প্রার্থী হবেন।

এছাড়া, শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনায় বিএনপির শরিক দলগুলোকে সমর্থন দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়াকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সংখ্যা এ বছর প্রচুর বেড়ে গেছে, বিশেষ করে ফ্যাসিবাদী শাসনের ১৫ বছর পার হওয়ার পর নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার নেতাদের মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম তার দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন এবং লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। একইভাবে, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদাও দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। যদিও তার প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও দেওয়া হয়নি।

এখন পর্যন্ত বিএনপি দুই দফায় ২৭২টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। বাকী ২৮টি আসনের জন্য শরিক দলগুলোকে সমঝোতার মাধ্যমে আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে। এর মধ্যে গতকাল জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের চারটি আসনে প্রার্থী পেয়েছে। সেগুলো হলো সিলেট-৫ (আমির উবায়দুল্লাহ ফারুক), নীলফামারী-১ (মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (জুনায়েদ আল হাবিব) এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ (মনির হোসেন কাসেমী)। এছাড়া, এলডিপির মহাসচিব, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ কুমিল্লা-৭ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।

বিএনপি ও তাদের শরিক দলগুলো এবার ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন পরিচালনা করে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর