ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

সকাল থেকেই স্লোগানে মুখর পূর্বাচল ৩০০ ফিট


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৯:৫৯ এএম

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীর পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট সড়ক) এলাকায় আয়োজিত গণসংবর্ধনাস্থলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতি দেখা গেছে। সকাল গড়ানোর আগেই বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে তাঁরা সংবর্ধনাস্থলে জড়ো হতে থাকেন।

সকালের আলো ফোটার পর থেকেই হেঁটে কিংবা দলবদ্ধভাবে আসা নেতা-কর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ‘মা-মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’, ‘তারেক রহমান, বীরের বেশে, আসছে ফিরে বাংলাদেশে’, ‘তারেক রহমান আসছে, বাংলাদেশ হাসছে’—এমন নানা স্লোগানে গণসংবর্ধনাস্থল প্রকম্পিত হয়।

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে স্বাগত জানাতে রাজধানীর কুড়িল সড়ক থেকে শুরু করে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ের গণসংবর্ধনা মঞ্চ পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে বিভিন্ন রঙের ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার টাঙানো হয়েছে। কুড়িল মোড়ের কাছাকাছি উত্তর অংশে দক্ষিণমুখী করে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে প্রায় ৪৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩৬ ফুট প্রস্থের একটি মঞ্চ। এই মঞ্চে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা অবস্থান করবেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিএনপির নেতা-কর্মীরা মঞ্চের সামনে অবস্থান নিচ্ছেন। অনেকে রাতেই ঢাকায় পৌঁছে সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। গণসংবর্ধনাকে ঘিরে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর আজ দুপুরে বাংলাদেশে আসছেন তারেক রহমান। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁর বহনকারী বিমান অবতরণের কথা রয়েছে। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তিনি গণসংবর্ধনাস্থলে যাবেন। সেখানে তাঁকে বরণ করে নিতে অপেক্ষায় আছেন হাজারো নেতা-কর্মী ও সমর্থক।

গণসংবর্ধনা ঘিরে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে একাধিক বড় ইলেকট্রনিক স্ক্রিন, যাতে দূর থেকে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা মূল মঞ্চের অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। এ ছাড়া রাস্তার বিভিন্ন ল্যাম্পপোস্টে স্থাপন করা হয়েছে শতাধিক মাইক।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংবর্ধনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন। সেখানে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তৎপরতা দেখা গেছে। মঞ্চের দুই পাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাঁবু স্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।

কুমিল্লা মহানগর বিএনপির নেতা শোয়াইব আহমেদ সোহেল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা তাঁদের নেতার ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গণসংবর্ধনা শেষে তারেক রহমান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর মা বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের এক-এগারোর পটপরিবর্তনের পর তারেক রহমান গ্রেপ্তার হন। ২০০৮ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবার যুক্তরাজ্যে যান এবং দীর্ঘ সময় সেখানেই অবস্থান করেন।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর