ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

সিলেটে পৌঁছেছেন তারেক রহমান


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ১০:০৫ এএম

যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে সিলেটে এসে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে বহনকারী বিমানটি বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়েছে এবং বিমানবন্দর থেকে পরবর্তী যাত্রা নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

উড়োজাহাজটি যাত্রাবিরতি শেষে সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, বিমানটি দুপুর পৌনে ১২টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে উভয় বিমানবন্দরসহ সড়কপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে।

এর আগে, তারেক রহমানকে বহনকারী বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফেরার এই যাত্রায় তার সঙ্গে আছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।


স্থানীয় সূত্র জানায়, ফ্লাইট ছাড়ার চার ঘণ্টা আগে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে নিজের বাসা থেকে বের হন তারেক রহমান। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে তিনি বিমানবন্দরে পৌঁছান। সঙ্গে তারেক রহমানের মিডিয়া টিমের প্রধান আবু আবদুল্লাহ সালেহ, ব্যক্তিগত সহকারী রহমান সানি ও তাবাসসুম ফারহানা ছিলেন।

সিলেট পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন সীমিত সংখ্যক দলীয় নেতা-কর্মী এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিমানবন্দর এলাকা, টার্মিনাল এবং সড়কপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

সিলেট থেকে ঢাকায় যাত্রা শুরু করলে তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পূর্বাচলের ৩০০ ফুট এলাকায় নির্মিত সংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন। সেখানে লাখো নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন। সংবর্ধনা শেষে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন। ঢাকা থেকে গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসভবনে (ফিরোজা) ফেরার পরিকল্পনাও রয়েছে।

বিএনপি সূত্র জানায়, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দর ও সড়কপথে পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সোয়াট টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এই ঐতিহাসিক যাত্রার মাধ্যমে বিএনপির নেতা-কর্মী এবং সমর্থকরা দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে তাদের নেতাকে স্বদেশে স্বাগত জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন। দেশে প্রত্যাবর্তনের এই মুহূর্ত রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর