অনলাইন রিপোর্টার
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের সিআইপি গেটে একটি বুলেটপ্রুফ বাস প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে সরাসরি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও হাসপাতালে যাত্রা করতে পারেন।
বুলেটপ্রুফ বাসটি লাল ও সবুজ রঙে সজ্জিত, এবং এতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বড় আকারের প্রতিকৃতি রয়েছে। এছাড়া বাসটিতে গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক সংগ্রাম সম্পর্কিত বিভিন্ন স্লোগান প্রদর্শিত হয়েছে। বিশেষভাবে লেখা হয়েছে তারেক রহমানের দেওয়া স্লোগান—“সবার আগে বাংলাদেশ।”
বাসটির জানালাগুলো শক্তভাবে সুরক্ষিত এবং সিআইপি এলাকায় প্রবেশের সময় চারপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সরাসরি তারেক রহমানের চলাচল নজরদারি করছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানান, বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমান সরাসরি বুলেটপ্রুফ বাসে এভারকেয়ার হাসপাতালে যেতে পারেন, যেখানে তিনি তার অসুস্থ মায়ের খোঁজখবর নেবেন।
হাসপাতালের পথে তিনি ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট সড়ক) এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রধান সড়ক ও সংলগ্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবস্থান নিয়েছে, যাতে নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষ উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
বুলেটপ্রুফ বাসটি শুধুমাত্র নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করছে না, এটি তারেক রহমানের উপস্থিতি এবং রাজনৈতিক গুরুত্বও তুলে ধরছে। বাসটির উপস্থিতি ও প্রদর্শিত প্রতিকৃতি দলীয় ও রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিমানবন্দর ও সংবর্ধনা এলাকা ঘিরে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত। তারা বিভিন্ন ধরনের ব্যানার, পতাকা ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। বিশেষ নিরাপত্তার কারণে জনগণকে নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে অনুষ্ঠানস্থলের দিকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে।
সংবর্ধনার মাধ্যমে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে উৎসবমুখরভাবে উদযাপন করা হবে। নিরাপত্তা ও যানজট মোকাবেলার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সেনাবাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকরা কার্যক্রমে নিয়োজিত।