ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম

উচ্ছ্বাসে ভাসল ৩০০ ফিট

লাখো কণ্ঠের উচ্ছ্বাসে তারেক রহমান


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৩:০৮ পিএম

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আপন মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। টানা ১৭ বছর পর তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে সারাদেশজুড়ে তৈরি হয়েছে উচ্ছ্বাস ও আবেগঘন পরিবেশ। তাকে একনজর দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর থেকেই রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় জড়ো হতে থাকেন বিএনপির লাখো নেতাকর্মী। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে তারা অপেক্ষা করছিলেন প্রিয় নেতার আগমনের। চারপাশজুড়ে ছিল স্লোগান, উল্লাস আর আনন্দধ্বনি। প্রত্যেকের চোখ ছিল একটাই পথে—কখন আসবেন তারেক রহমান।

দুপুর ২টা ৫ মিনিটে গণসংবর্ধনাস্থলের প্রবেশপথে পৌঁছান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। এ সময় নারী-শিশু, তরুণ-যুবা থেকে শুরু করে প্রবীণ নেতাকর্মীরাও তাকে অভিবাদন জানান। অনেকেই হাত উঁচিয়ে সালাম জানান, কেউ কেউ আবেগে কেঁদে ফেলেন। বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস আর স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

এর আগে, বেলা ১১টা ৪২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান দলের শীর্ষ নেতারা। ভিআইপি লাউঞ্জ থেকে বেরিয়ে তিনি জুতা খুলে খালি পায়ে দেশের মাটিতে পা রাখেন এবং একমুঠো মাটি হাতে তুলে নেন। এই মুহূর্তটি উপস্থিত সবার মধ্যে আবেগের সৃষ্টি করে।

এরপর লাল-সবুজ রঙের একটি বাসে চড়ে তিনি রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকার গণসংবর্ধনা মঞ্চের উদ্দেশে রওনা হন। বাসটির গায়ে ছিল দলের ঐতিহাসিক স্লোগান ও প্রতীক। সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশে তিনি হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। উত্তরে সমর্থকরাও স্লোগান ও করতালির মাধ্যমে তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করেন।

পথজুড়ে ছিল ব্যাপক জনসমাগম। কোথাও কোথাও মানুষ ছাদে উঠে, ফুটওভারে দাঁড়িয়ে কিংবা রাস্তার পাশে ভিড় করে দাঁড়িয়ে তারেক রহমানকে এক ঝলক দেখার চেষ্টা করেন। পুরো পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর।

গণসংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছানোর পর কিছুক্ষণের মধ্যেই দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপির এই কাণ্ডারির। দীর্ঘ সময় পর দেশে ফিরে তার বক্তব্যকে ঘিরে নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

১৭ বছর পর তারেক রহমানের এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিএনপির রাজনীতিতে যেমন নতুন গতি এনেছে, তেমনি দেশের রাজনীতিতেও এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এই দিন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর