ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

কেরানীগঞ্জে বিস্ফোরণে উড়ে গেল মাদ্রাসার কক্ষ


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:৪৮ পিএম

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় অবস্থিত একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনের পশ্চিম পাশের দুটি কক্ষের দেয়াল বিস্ফোরণে উড়ে গেছে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন।

বিস্ফোরণের ফলে মাদ্রাসার একতলা ভবনের ওই দুটি কক্ষের দেয়াল সম্পূর্ণ ধসে পড়ে এবং ছাদ ও বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে। পাশের আরও দুটি কক্ষে ফাটল ধরেছে। বিস্ফোরণের সময় মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, ঘটনাস্থল থেকে ককটেল, দাহ্য পদার্থ এবং বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ও ক্রাইম সিন দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাদের দুই ছেলে উমায়েত (১০) ও আবদুল্লাহ (৭) আহত হন। তাদের মধ্যে আছিয়া বেগম ও দুই সন্তানকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের সময় তারা একটি ভয়াবহ শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পাশের ভবনের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বিস্ফোরণে আমাদের ভবনের কিছু অংশ ফেটে গেছে এবং ঘরের আসবাবপত্র ভেঙে পড়েছে।’

ভবন মালিক পারভীন বেগম জানান, তিন বছর ধরে তার বাড়ি ভাড়া নিয়ে মুফতি হারুন মাদ্রাসাটি পরিচালনা করতেন। হারুন মাদ্রাসায় মাঝে মাঝে আসতেন, কিন্তু মাদ্রাসার আড়ালে কী ঘটছিল তা তিনি বুঝতে পারেননি। পুলিশের উদ্ধার করা বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও রাসায়নিক দ্রব্য দেখে তিনি অবাক হয়েছেন।

মাদ্রাসায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতো, তবে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় মাদ্রাসা বন্ধ ছিল।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর