জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন আট দলের নির্বাচনী সমঝোতায় নতুন দলে যুক্ত হয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। ফলে এই সমঝোতায় দলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বিষয়টি নিশ্চিত করেন, তারা জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতায় যুক্ত এবং আলোচনাও চলমান রয়েছে। এবি পার্টি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭০টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।
দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ফেনী-২ (সদর) থেকে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বরিশাল-৩ থেকে, জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) আবদুল ওহাব মিনার পটুয়াখালী-১ থেকে মনোনয়ন নিয়েছেন। এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া কুমিল্লা-৫, সানী আবদুল হক দিনাজপুর-৬ এবং নাসরিন সুলতানা মিলি ঢাকা-১০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
রাজনৈতিক সূত্র মতে, ফেনী-২, বরিশাল-৩ ও পটুয়াখালী-১ আসন এবি পার্টিকে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনাও চলছে।
ফেনী-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেননি দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য লিয়াকত আলী ভূঁইয়া। বরিশাল-৩ আসনে মনোনয়ন নেওয়া ছিল বরিশাল মহানগরের আমির জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের। তিনি ও মনোনয়নপত্র দেননি। পটুয়াখালী-১ আসনে জেলা আমির মো. নাজমুল আহসান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তবে তিনি সরে দাঁড়াতে পারেন বলে জানা গেছে।
এদিকে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম জানিয়ে দিয়েছেন, ১০ দলের সঙ্গে আরেকটি দলও সমঝোতায় যুক্ত হতে যাচ্ছে এবং শিগগিরই তার নাম প্রকাশ করা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সংবাদ সম্মেলনে জানান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হককে ঢাকা-১৩ আসনে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এখানে দলের মনোনয়ন ছিল কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইনের। ১১ দলের আসনবিন্যাসও দ্রুত জানানো হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
আকাশজমিন / আরআর