ক্রীড়া ডেস্ক
রংপুর রাইডার্স ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের উপরে উঠে এসেছে। যদিও গতকালের ম্যাচটি তাদের জন্য সহজ ছিল না। প্রথম ৬ ওভারের মধ্যে তিনজন ব্যাটার মাত্র ৩১ রান করতেই ড্রেসিংরুমে ফিরে গিয়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে দলের হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, এবং তিনি ম্যাচসেরা হিসেবে নির্বাচিত হন।
ঢাকার বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহ এদিন ৪১ বলে ৫১ রান করেন। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে সেরা খেলোয়াড় হওয়ায় মাহমুদউল্লাহ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! প্রথমত সর্বশক্তিমান আল্লাহকে ধন্যবাদ আমাকে এমন ইনিংস খেলার শক্তি দেওয়ার জন্য। তবে দিন শেষে আমার মনে হয়, এটি আরও একবার প্রমাণ হলো যে ক্রিকেট আনপ্রেডিক্টেবল।
এর আগে ম্যাচসেরা হওয়ার বিষয়েও মাহমুদউল্লাহ জানান, সম্ভবত হ্যাঁ! এর আগে কয়েকবার এমন ব্যাটিং করেছি। তবে আলহামদুলিল্লাহ, ব্যাটিংয়ে ভালো একটা মোমেন্টাম পাচ্ছি। আশা করি, সামনের দিনগুলোতেও এমন খেলতে পারব ইনশাআল্লাহ।
মাহমুদউল্লাহর ইনিংস দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রথমে দলের তিন ব্যাটার দ্রুত আউট হলেও তিনি এবং দলের অন্যান্য ব্যাটাররা রান সংগ্রহের ধারাকে ধরে রাখেন। এর ফলে রংপুর রাইডার্সের টোটাল স্কোর প্রতিপক্ষের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে।
ম্যাচের পর রংপুর রাইডার্সের কোচ এবং সহকর্মী খেলোয়াড়রা মাহমুদউল্লাহকে প্রশংসা করেন। মাহমুদউল্লাহও দলের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান, বললেন, দলের সাপোর্ট ছাড়া এটি সম্ভব হত না। প্রত্যেকে নিজের জায়গায় দায়িত্ব পালন করেছে। আমি কেবল ভাগ্যবান যে সুযোগ পেয়ে ভালো খেলার সুযোগ পেয়েছি।
ম্যাচ বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মাহমুদউল্লাহর ধারাবাহিক পারফরম্যান্স টিমের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করেছে। তিনি যেমন ব্যাটিংয়ে দারুণ ইনিংস খেলেছেন, তেমনি দলের জেতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
রংপুর রাইডার্সের পরবর্তী ম্যাচেও মাহমুদউল্লাহর ওপর অনেকের চোখ থাকবে। তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দলকে প্লে-অফে প্রবেশের সুযোগ আরও শক্ত করবে।
এছাড়া, মাহমুদউল্লাহর ব্যাটিং স্টাইল এবং ধৈর্য ম্যাচের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দল এবং সমর্থকদের জন্য তার ইনিংস অনুপ্রেরণামূলক।
মাহমুদউল্লাহ বললেন, ক্রিকেটের আসল সৌন্দর্য হলো প্রতিটি ইনিংসের নতুন চ্যালেঞ্জ। কখনো predictable হয় না। আশা করি, সামনের ম্যাচগুলোতেও নিজের সেরাটা দিতে পারব।
রংপুর রাইডার্সের ফ্যানদের জন্য এটি আনন্দের বিষয় যে, তাদের দলের সর্বশেষ দুই ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় মাহমুদউল্লাহ, এবং তার ধৈর্য ও দক্ষতা দলকে জেতায় সাহায্য করেছে।
আকাশজমিন / আরআর