দেশের ১০ জেলার উপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এটি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) জানিয়েছে, এই সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে, তবে শীতের অনুভূতি থাকবেই।
সংস্থার তথ্যমতে, দেশের রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা এবং কুষ্টিয়া জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এ কারণে সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে, তবে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকবে।
আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত বজায় থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আংশিক মেঘলা আকাশসহ দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাবে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আংশিক মেঘলা আকাশ এবং শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে দেশের নদী অববাহিকার বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা থাকতে পারে। রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আংশিক মেঘলা আকাশ এবং শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
অতএব, শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার কারণে যাত্রীদের যানবাহন ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিশেষ করে সকাল ও রাতের সময় সড়ক ও আভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থায় অসুবিধা হতে পারে।