ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ডিজিটালি তারেক রহমানের বক্তব্যে জাতি আশান্বিত: মির্জা ফখরুল


  • আপলোড সময় : শনিবার ১০ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৪:২০ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ডিজিটালি তারেক রহমান জাতির সামনে যেসব কথা বলেছেন, তাতে গোটা জাতি আজ অনেক বেশি আশান্বিত হয়েছে। তিনি বলেন, কঠিন সময় পার করে তারেক রহমান বিদেশ থেকে দেশে এসেছেন এবং সমগ্র দেশের মানুষ এক বুকভরা প্রত্যাশা নিয়ে তার অপেক্ষায় রয়েছেন। তার বক্তব্যে একটি উদারপন্থি ও সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। এই সময়ে দেশের মানুষ একটি গ্রহণযোগ্য ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রত্যাশা করছে। তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করলেও তিনি দূর থেকে ডিজিটাল মাধ্যমে যেসব বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, তা দেশের মানুষকে নতুন করে আশাবাদী করেছে।

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে দূর থেকে তিনি ডিজিটালি যে সমস্ত কথা আমাদের সামনে বলেছেন, জাতির সামনে বলেছেন; গোটা জাতি আজকে অনেক বেশি আশান্বিত হয়েছেন।’ মির্জা ফখরুল বলেন, জাতি আশান্বিত হয়েছে এই কারণে যে, এবার একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে সত্যিকার অর্থেই একটি উদারপন্থি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, অতীতে দেশে বহুবার গণতন্ত্রের কথা বলা হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। বিভাজন ও সংকটের রাজনীতি দেশের মানুষের স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এই বাস্তবতা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য দায়িত্বশীল ও উদার রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন, যা তারেক রহমানের বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিক নেতাদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীন ভূমিকা ছাড়া গণতন্ত্র শক্তিশালী হতে পারে না। তিনি সাংবাদিকদের মন খুলে কথা বলতে অনুরোধ করেন এবং বলেন, গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনাই রাজনীতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, ‘আজকে আমি কথা বলতে আসিনি। আজকে আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলবেন, আমরা শুনবো।’ মির্জা ফখরুল জানান, তারেক রহমান শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থ থাকলেও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে তিনি অত্যন্ত আগ্রহী।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যদিও ঠান্ডা লেগে তার কণ্ঠের কিছুটা সমস্যা হয়েছে, তারপরও তিনি খুবই আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে অন্তত উৎসুক।’ এটি তারেক রহমানের আন্তরিকতা ও গণমাধ্যমের প্রতি সম্মানের বহিঃপ্রকাশ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের শীর্ষ ব্যক্তিরা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানটি রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে বলে মনে করেন অনেকেই।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের মানুষের সবচেয়ে বড় চাওয়া হলো একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক ও সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশ। তারেক রহমানের বক্তব্যে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন পাওয়া গেছে বলেই জাতি আশান্বিত হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে, মতপার্থক্য থাকলেও তা যেন বিভেদের কারণ না হয়। জাতীয় ঐক্য ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে রাজনীতি পরিচালনা করাই সময়ের দাবি। এই দর্শনকে সামনে রেখেই বিএনপি ভবিষ্যতে রাজনীতি করতে চায়।

অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।

ঢাকা টুডে / আরআর 



এ সম্পর্কিত আরো খবর