ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ

মুন্সীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ৬ ঘর ছাই


  • আপলোড সময় : রবিবার ১১ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৪:০৯ পিএম

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একটি বাসা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শাহ আলমের বসতবাড়িতে আগুন লাগার ফলে ছয়টি টিনের ঘরের আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়েছে। তবে দারুণ সৌভাগ্যক্রমে কোনো ব্যক্তি আহত হননি।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, কাইচমালদা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং ফোন করে টঙ্গীবাড়ী ও সিরাজদিখান ফায়ার স্টেশনকে খবর দেন। উভয় ফায়ার স্টেশন থেকে চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে ছয়টি টিনের ঘরের আসবাবপত্র পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি জানান, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর নিশ্চিত করা হবে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ভোরে আগুনের সূত্রপাতের সময় সবাই ঘুমে ছিল। আগুনের শব্দে স্থানীয়রা ঘুম ভেঙে দ্রুত বাড়ি ত্যাগ করেন এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। এই প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার ফলে কোনো প্রাণহানি বা গুরুতর আহতির ঘটনা ঘটেনি।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর উদ্ধারকাজ চলতে থাকে। একই সঙ্গে এলাকার মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন।

শাহ আলম বলেন, "সব আসবাবপত্র পুড়ে গেছে, তবে আমরা কোনোভাবে বেঁচে গেছি। এখন ধাপে ধাপে পুনরায় ঘর পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করব।"

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আগুনের প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। ফায়ার সার্ভিসের তদন্তকারী দল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, বৈদ্যুতিক সংযোগ বা রান্নাঘরের কোনো ত্রুটি থেকে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে চূড়ান্ত প্রতিবেদন আগামি কয়েকদিনের মধ্যে জানা যাবে।

স্থানীয়রা আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় পাশে থাকা অন্যান্য বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা পায়। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস এবং প্রতিবেশী জনগণ দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখানোয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ ঘটনায় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের সক্রিয়তা প্রশংসনীয়। তারা স্থানীয় জনগণকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন এবং অনুরোধ করেছেন, আগুনের উৎস সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য বা সন্দেহ থাকলে তা অবিলম্বে ফায়ার সার্ভিসকে জানান।



এ সম্পর্কিত আরো খবর