ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

পার্টি নিষিদ্ধ, ব্যক্তিকে নয়: নির্বাচন কমিশনার মাছউদ


  • আপলোড সময় : রবিবার ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৩১ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুল রহমানেল মাছউদ বলেছেন, সরকার একটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করেছে কিন্তু কোনো ব্যক্তিকে তো নিষিদ্ধ করেনি। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি তার রাজনৈতিক অংশগ্রহণের অধিকার হারায়নি।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপিলের শেষ দিনের শুনানিতে আইনজীবীর যুক্তিতর্কের এক পর্যায়ে এই মন্তব্য করেন মাছউদ।

টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নের বৈধতার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. লিয়াকত আলী। লিয়াকত আলীর আইনজীবী যুক্তি দেন, নিষিদ্ধ দলের নেতা হওয়ায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

এই সময়ে কমিশনার মাছউদ মন্তব্য করেন, পার্টিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে কিন্তু কোনো ব্যক্তিকে তো নিষিদ্ধ করা হয়নি। পরে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর নির্বাচন কমিশন আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নের বৈধতা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শেষ দিনের আপিল আবেদনের শুনানি এদিন সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়াম (বেজমেন্ট-২)-এ শুরু হয়। শুনানিতে উভয়পক্ষের আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন করেন এবং প্রাসঙ্গিক আইনি দিক তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য, সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন সময়সূচিতে আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারিত ২০ জানুয়ারি। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।

এই আপিল শুনানি এবং কমিশনারের মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে, কারণ এটি প্রমাণ করে যে, পার্টি নিষিদ্ধ থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে প্রার্থিতা গ্রহণ বা নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো বাধা নেই। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি নির্বাচনী পরিবেশে স্বচ্ছতা এবং প্রতিটি প্রার্থীর বৈধ অধিকার রক্ষার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

নির্বাচন কমিশন এমন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করছে যে, আইন অনুযায়ী প্রতিটি প্রার্থী সমান সুযোগ পাবে এবং ভোটের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় থাকবে। এই বিষয়ে কমিশনের জ্যেষ্ঠ সদস্যরা বারবার জোর দিয়ে বলেছেন, পার্টি নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু পরিবেশে প্রার্থীদের অংশগ্রহণের অধিকার বজায় রাখা হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর