ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

‘গণভোটের মাধ্যমে ভোটাধিকার ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত হবে’


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ১:৪৪ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার  

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরে দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বায়ত্তশাসন পায়নি এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে পারেনি। এর ফলে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত জনগণের ইচ্ছার ওপর চাপানো হয়েছে, যা স্বৈরাচার ও দুর্নীতিকে শক্তি দিয়েছে।

গতকাল মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ ড. সামসুজ্জোহা পার্কে অনুষ্ঠিত গণভোট প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন। ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পর দেশে রাতের ভোট এবং একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। এবারের গণভোট এই ত্রুটিগুলো সংশোধনের সুযোগ হিসেবে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসুক, সংবিধান ও প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাক এবং প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে সক্ষম হোক। এই গণভোটে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে, ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দেশের সুশাসনের ভিত্তি শক্ত হবে। তাই ভোটে সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ভোটারদের আহ্বান জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলুন এবং দেশের জন্য শক্তিশালী, জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অতিকেন্দ্রীকরণ বাংলাদেশের বড় সমস্যা। বিচার বিভাগ, সংসদ ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংস্কার অপরিহার্য। এই সংস্কার শুধুমাত্র জনগণের সম্মতির মাধ্যমে টেকসই হতে পারে।

তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে আসন্ন গণভোট ও নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে। তিনি জানান, সুষ্ঠু নির্বাচন এবং জনগণের অংশগ্রহণই দেশের গণতান্ত্রিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব মনে করিয়ে দেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা গেলে জনগণের প্রতি জবাবদিহি ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে দেশের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও বিচারিক কাঠামোর স্থায়িত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা মজবুত হবে।

তিনি দেশের মানুষকে সচেতনভাবে ভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনগণের সক্রিয় ভোট অংশগ্রহণই সংবিধান ও প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করবে এবং দেশকে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশাসিত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নেবে।

আকাশজমিন / আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর