ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি চিঠি নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) পাঠিয়েছেন। এ চিঠির মাধ্যমে আসনটি শূন্য ঘোষণা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তারা চিঠি পেয়েছেন। তবে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়নি। আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি একাধিক আসনে নির্বাচিত হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে কোন আসনটি রাখবেন। না হলে নির্বাচন কমিশন শূন্য ঘোষণা করার ব্যবস্থা করবে।
আরপিও অনুযায়ী, ধারা ১৯(১)(খ) অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একই সাধারণ নির্বাচনে একাধিক আসন থেকে প্রার্থী হতে এবং নির্বাচিত হতে পারবেন। ধারা ১৯(২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি একাধিক আসন থেকে নির্বাচিত হন, তবে গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে কোন আসন রাখবেন।
বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়া চিঠি পাওয়ার পর ইসি শিগগিরই প্রক্রিয়া শুরু করবে। এতে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হবে এবং পরবর্তী সময়ে উপনির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
বিএনপির চেয়ারম্যানের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আইন ও নিয়ম মেনে নেওয়া হচ্ছে। আইন অনুসারে, একাধিক আসনে নির্বাচিত প্রার্থীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। এর মাধ্যমে ভোটারদের সঠিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।
বগুড়া-৬ আসনের এই শূন্যতা নতুন রাজনৈতিক চর্চা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করেছে যে আসন শূন্য ঘোষণার পর প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে দ্রুত উপনির্বাচনের আয়োজন করা যায়।
নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। এ সংক্রান্ত তথ্য জনগণের সঙ্গে শেয়ার করা হবে যাতে নির্বাচনী প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিয়মমাফিক হয়।