ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

কুমিল্লায় প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ১১:০৩ এএম

কুমিল্লায় প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলার হোমনা উপজেলার ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের মণিপুর এলাকার নিজ বসতঘর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে পরিবারের সদস্যদের কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীরা সন্দেহ প্রকাশ করেন। পরে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান তারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতরা হলেন মণিপুর এলাকার প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী ও এক সন্তান এবং অন্য আরেক শিশু। তাদের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনার সময় প্রবাসী জহিরুল ইসলাম দেশের বাইরে ছিলেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে হোমনা থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পুলিশ সদস্যরা বাড়িটি ঘিরে রাখেন এবং আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেন। মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

হোমনা থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারা এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ওসি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সম্ভাব্য সব দিক বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। তারা জানান, এমন নৃশংস ঘটনা আগে কখনও এলাকায় ঘটেনি।

পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হবে।

ঘটনার পেছনে পারিবারিক বিরোধ, ব্যক্তিগত শত্রুতা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। 


এ সম্পর্কিত আরো খবর