সোমবার রাতের ওই অভিযানে পুলিশি হেনস্তা ও মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার শাহবাগ এলাকায় বিক্ষোভ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষার্থীরা।
ডিসি মো. মাসুদ আলম জানান, গতকালের ঘটনায় জড়িত চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া এ ঘটনায় আরও দুই থেকে তিনজনকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
এর আগে সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ডিসি মাসুদ আলমের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্য শিক্ষার্থী ও দায়িত্বরত সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে দায়িত্বরত সাংবাদিকদের মারধরের অভিযোগ গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি করে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে পুলিশের আচরণের প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে শাহবাগ থানার সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের সময় সাংবাদিক ও সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে যেন না ঘটে, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।