ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

যমুনা ছাড়লেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৫:২২ পিএম

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকারি বাসভবন ‘রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা’ ত্যাগ করেছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি যমুনা থেকে বের হয়ে রাজধানীর গুলশানে তাঁর নিজ বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ড. ইউনূসের প্রস্থানের পর ভবনটির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু করবে গণপূর্ত অধিদপ্তর। ভবনের অবকাঠামো, অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা ও কারিগরি ব্যবস্থার উন্নয়নকাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে। সংস্কার শেষে ভবনটি নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং গণপূর্ত অধিদপ্তর নিশ্চিত করেছে যে চলতি মাসের মধ্যেই ভবনের অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জাসহ প্রয়োজনীয় সব কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করতে দ্রুতগতিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সংস্কার শেষে ভবনটি প্রধানমন্ত্রীর অফিসিয়াল বাসভবন হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করে প্রস্তুত রাখা হবে।

তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মুহূর্তে যমুনায় উঠবেন কি না—এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। বর্তমানে তিনি রাজধানীর গুলশানে তাঁর নিজস্ব বাসভবনে অবস্থান করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন ও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাসভবনের ব্যবহার নির্ধারণ করা হতে পারে।

যমুনা ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তাই সংস্কারকাজে ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যোগাযোগ অবকাঠামো ও প্রশাসনিক সুবিধা উন্নত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সরকারি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভবনটির আধুনিকায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন হলে এটি রাষ্ট্রীয় প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যকরভাবে ব্যবহারের উপযোগী হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর