অনলাইন রিপোর্টার
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে সেখানে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের খোঁজ-খবর নেন। রোববার (১ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, বৈঠকে প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও সার্বিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও তাদের অবস্থার খোঁজ-খবর নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রবাসীদের সহায়তা ও তদারকি ব্যবস্থা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
বৈঠকে আলোচনা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক অনেক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দেখভালের বিষয়েও। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থাকা প্রবাসী যাত্রীদের সুবিধা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি তদারকি করছেন।
আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, বিমান প্রতিমন্ত্রী সকাল থেকে বিমানবন্দরে অবস্থান করছেন। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীও প্রবাসীদের সেবা নিশ্চিত করার কাজে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছেন।
সকালে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে ভূমিকম্প-পরবর্তী দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ দেওয়া হয়। বৈঠকের পর আসাদুল হাবিব দুলু সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে দুর্যোগের সময় দ্রুত সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হয়।
বৈঠকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীও প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করেন। এই সভায় দেশের বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি এবং প্রবাসীদের সুরক্ষা বিষয়ক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এই উদ্যোগ বাংলাদেশের প্রবাসী কর্মী ও যাত্রীদের জন্য আশ্বাস প্রদান করছে। সরকারের পদক্ষেপ প্রমাণ করছে, যে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও সেবার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বে রাখা হচ্ছে।