অনলাইন রিপোর্টার
ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে সচিবালয় আবারও কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকেই অফিসে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সকাল ৯টায় সচিবালয়ে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও কোলাকুলি করে ঈদের আমেজ ভাগাভাগি করছেন।
জানা গেছে, দিনের শুরুতেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এরপর দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে একটি বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি।
বেলা ১১টায় রাজধানী ঢাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা ‘যানজট’ নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়ে একটি বিশেষ বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুরে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় অংশ নেবেন। বিকেলে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।
সকাল থেকে খুলেছে বাংলাদেশ সচিবালয়সহ সব সরকারি অফিস, ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। অফিস খোলার সঙ্গে সঙ্গে কর্মীদের মধ্যে গত সপ্তাহের ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগাভাগি ও একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় লক্ষ্য করা গেছে।
গত ২১ মার্চ (শনিবার) দেশে মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়। সরকার এই পবিত্র উৎসব নির্বিঘ্নে পালনের জন্য ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মোট সাতদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল।
সচিবালয়ে কর্মীরা ছুটি শেষে অফিসে ফিরে বিভিন্ন দফতরের কাজ পুনরায় সচল করেছেন। প্রশাসনিক কার্যক্রম, নথি ও প্রকল্প সংক্রান্ত কাজ, সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জনসেবা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়েছে। কর্মকর্তাদের মধ্যে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় এবং কোলাকুলি করার দৃশ্য সচিবালয়কে উৎসবমুখর পরিবেশ প্রদান করেছে।
প্রধানমন্ত্রী এই প্রথম কার্যদিবসে দেশের চলমান সমস্যা ও নীতি-পরিকল্পনা বিষয়ক বৈঠকে অংশ নিয়ে বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। বৈদেশিক কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ, ঢাকা শহরের যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সংস্কৃতি বিষয়ক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।
এছাড়াও, সরকারি অফিস, ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে কর্মীরা সক্রিয়ভাবে অফিস কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ছুটি শেষে সচিবালয়ের কর্মচাঞ্চল্য প্রশাসনিক কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করছে।