বখতিয়ারের চাচাতো ভাই আবুল হোসেন জানান, ভিড়ে দাঁড়াতে গিয়ে বখতিয়ার অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্থানীয় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
জ্বালানি কার্ড সংগ্রহ করতে সকাল থেকে অনেকে উপজেলা পরিষদে গিয়ে লাইনে দাঁড়ান। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। জেলা প্রশাসন আগে জানিয়েছিল, ৩০ ও ৩১ মার্চ থেকে যানবাহনের জন্য জ্বালানি কার্ড বিতরণ করা হবে। কার্ড সংগ্রহে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হলো যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
১ এপ্রিল থেকে শুধু জ্বালানি কার্ডধারী যানবাহনকে তেল সরবরাহ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী তেল দেওয়া হবে এবং সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জেলার ২২টি পাম্পে একযোগে বিক্রি চলবে। তবে কৃষকদের জন্য ডিজেল আগের মতোই ২৪ ঘণ্টা বিক্রি করা হবে।
চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বি এম তারিক উজ জামান জানান, ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল সংগ্রহ শুরু হলে পাম্পে বিশৃঙ্খলা রোধ করা সম্ভব হবে। কালোবাজারির চেষ্টা যারা করছে, তাদের নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক হবে। এক ব্যক্তির অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
জ্বালানি কার্ড বিতরণের মাধ্যমে সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি নাগরিকদের মধ্যে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। জেলার প্রশাসন তদারকিতে সচেষ্ট রয়েছে যাতে কেউ অযথা ভিড় বা অনিয়ম করতে না পারে।