মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের করা প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী এসব কথা জানান। তিনি বলেন, “আমরা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করছি। আশা করি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে যারা অমুক্তিযোদ্ধা, যারা ‘তন্ত্র-মন্ত্র’ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন, তাদের সন্তানদের চাকরি দিয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে অবৈধ সুবিধা নিয়েছেন—আমরা এই বিষয়গুলো নিয়েও কাজ করছি।”
মন্ত্রী আরও বলেন, শিগগিরই এর একটি পরিসংখ্যান উপস্থাপন করা হবে, যাতে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা যাবে এবং তা জনগণের সামনে প্রকাশ করা হবে। এছাড়া, বিগত সরকারের সময়ে অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বন্ধ করা হয়েছিল, সনদ স্থগিত করা হয়েছিল এবং তারা হয়রানির শিকার হয়েছেন।
এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “সংসদ সদস্যরা যে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন, সেটি নিয়েও আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করছে। ইতিপূর্বেই অনেক অভিযোগ পেয়েছি এবং আমরা জানি যে, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানি করা হয়েছিল। আমরা এই অনিয়মগুলো সমাধান করতে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিচ্ছি।”
মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিতকরণের পাশাপাশি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তালিকা নবায়ন করা হবে। এই উদ্যোগ দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং প্রকৃত ন্যায়ের নিশ্চয়তা দেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।