ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০২ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:২৫ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সরকার নির্দেশ দিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বাধ্যতামূলকভাবে নিজ নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করবেন। এর লক্ষ্য হলো সাধারণ নাগরিকদের সেবা নিশ্চিত করা, প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধি করা এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে এই নির্দেশনাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও কার্যকরভাবে অনুসরণের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোসা. তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত আনুষ্ঠানিক নোটিশে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তাদের এই সময়কালকে বাধ্যতামূলকভাবে পালন করতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পূর্ববর্তী স্মারক অনুসরণ করে শৃঙ্খলা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য নোটিশে জোর দেওয়া হয়েছে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, অফিস কক্ষে অবস্থানকালে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করতে হবে। দিনের বেলায় যথেষ্ট প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার সীমিত রাখা যাবে। অফিস চলাকালীন সময়ে কেবল প্রয়োজনীয় লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালু রাখা যাবে। এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা সর্বদা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে নির্ধারণ করতে হবে।

কর্মকর্তা বা কর্মচারী যখন কক্ষ ত্যাগ করবেন, তখন সব লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনার সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুমসহ অন্যান্য স্থানে অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার একবারে বন্ধ করতে হবে। অফিস সময় শেষে সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্র সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

সরকারি নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সরকারি দপ্তরে কোনো ধরণের অতিরিক্ত আলোকসজ্জা ব্যবহার করা যাবে না। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয় নিশ্চিত করতে প্রতিটি দপ্তরে নিয়মিত মনিটরিং প্রয়োজন। অফিস কক্ষ, করিডোর, টয়লেট, সিঁড়ি ও হ্যান্ডেল নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।

সরকারি নির্দেশনাগুলি যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করার জন্য সব দপ্তর, সংস্থা ও কার্যালয়ে একটি করে ভিজিল্যান্স টিম গঠন করতে হবে। এই টিম নিশ্চিত করবে যে, নির্দেশনার ব্যত্যয় হচ্ছে কি না এবং অফিস কার্যক্রমে শৃঙ্খলা বজায় রাখা হচ্ছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, কোনো দাপ্তরিক কর্মসূচি বা মিটিং হলেও এই সময়কাল বিঘ্নিত হলে তা শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতার জন্য ক্ষতিকর হবে। অফিস চলাকালীন সময়ে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। এটি শুধু পরিবেশ রক্ষা নয়, বরং সরকারি বাজেটের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করবে।

নোটিশ অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখবেন। অফিস কক্ষে বৈদ্যুতিক যন্ত্র যথাযথভাবে ব্যবহার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চালু রাখার বিষয়টি বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলা হয়েছে। এছাড়া, সব ধরণের জরুরি ও অজরুরি বৈদ্যুতিক খরচ পর্যবেক্ষণ ও সাশ্রয় করা হবে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, সকল দপ্তরকে শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীলতার মানদণ্ড অনুযায়ী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। অফিসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারের সর্বোচ্চ সাশ্রয় নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, সরকারি দপ্তরে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার ও দৈনন্দিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়মিত পালন করা হবে।

এই নির্দেশনার মাধ্যমে সরকার কর্মকর্তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে চায়। ভিজিল্যান্স টিম নিয়মিত তদারকি করবে এবং নির্দেশনার ব্যত্যয় রোধে পদক্ষেপ নেবে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর