ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই


  • আপলোড সময় : রবিবার ১২ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৭:৩৩ পিএম

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই। রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার বিকেলে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শফিক আহমেদের ছেলে ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক জানান, তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে রোববার বিকেলে তিনি মারা যান। পরিবারের সদস্যরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য নন) মন্ত্রী হিসেবে এই দায়িত্বে ছিলেন। আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি বিচার বিভাগ ও আইনি সংস্কার সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগে যুক্ত ছিলেন।

তিনি ছিলেন দেশের একজন প্রবীণ ও প্রখ্যাত সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তাঁর দীর্ঘ আইন পেশার জীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা করেন এবং দেশের আইন অঙ্গনে একজন অভিজ্ঞ ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

শফিক আহমেদের জন্ম ১৯৩৭ সালে কুমিল্লায়। শিক্ষা জীবনে তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। ১৯৬৭ সালে তিনি লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন এবং লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি লাভ করেন। উচ্চশিক্ষা শেষে তিনি দেশে ফিরে আইন পেশায় যুক্ত হন এবং ধীরে ধীরে দেশের অন্যতম শীর্ষ আইনজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন, আইন পেশায় অবদান এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাঁকে দেশের রাজনৈতিক ও আইন অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যায়।

তার মৃত্যুতে আইন অঙ্গন, রাজনৈতিক মহল ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন পর্যায়ের আইনজীবী ও পরিচিতজনরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর