স্টাফ রিপোর্টার:
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ হারুন আল রশিদ। এছাড়া কেন্দ্রীয় ড্যাবের মহাসচিব ডাঃ মোঃ জহিরুল ইসলাম শাকিল, সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবুল কেনান এবং বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক ডাঃ পারভেজ রেজা কাঁকন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মাহবুবুল হক এবং উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ আজহারুল ইসলাম। তারা হামের সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন।
কর্মসূচির কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড্যাব শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট শাখার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ ফারুক আহমেদ। টিম লিডার ছিলেন ডাঃ ইমতিয়াজ উদ্দিন সাজিদ। তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে রোগী ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডাঃ গোলাম সারোয়ার বিদ্যুৎ, অধ্যাপক ডাঃ রুস্তম আলী মধু, ডাঃ এম এ কামাল, ডাঃ মশিউর রহমান রিপন, ডাঃ রেদোয়ান ফেরদৌস, ডাঃ আসিফ হান্নান, ডাঃ রাকিবুজ্জামান, ডাঃ হাসিব, ডাঃ সিদ্দিক, ডাঃ আল আমিন, ডাঃ মিজান, ডাঃ ফয়সাল, ডাঃ তারেক ও ডাঃ আবিদ উল্লাহসহ আরও অনেক চিকিৎসক।
আয়োজকরা জানান, দেশে হামের সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ দ্রুত ছড়াতে পারে, তাই অভিভাবকদের সচেতন করা এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে জানানোই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
লিফলেটগুলোতে হামের লক্ষণ, সংক্রমণের পদ্ধতি এবং প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে নিয়মিত টিকাদান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়ানো এবং প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।
অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকরা বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে হামের মতো সংক্রামক রোগ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। তারা অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিশুদের নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়া এবং অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবাই এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
আকাশজমিন / আরআর