ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

কৃষকের জন্য সুখবর, নতুন দরে ধান ও চাল কিনবে সরকার


  • আপলোড সময় : বুধবার ২২ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৪:৪৭ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বোরো মৌসুমে ধান, চাল ও গমের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে আগামী ৩ মে থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ মৌসুমের খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে বলে জানানো হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভা শেষে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।

তিনি জানান, চলতি মৌসুমে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি ৪৯ টাকা কেজি দরে ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল কেনা হবে। সরকারের এই সংগ্রহ কার্যক্রমের লক্ষ্য হলো খাদ্য মজুত স্থিতিশীল রাখা এবং কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা।

এছাড়া আতপ চাল ও গম সংগ্রহের বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতি কেজি ৪৮ টাকা দরে ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৩৬ টাকা কেজি দরে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করা হবে।

তিনি আরও জানান, ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে ৩ মে থেকে এবং চাল সংগ্রহ শুরু হবে ১৫ মে থেকে। পুরো সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

সরকারি পর্যায়ে গম আমদানির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সেখান থেকে গম সংগ্রহ সম্ভব না হলে বাকি অংশ উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কেনা হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বোরো মৌসুমের এই সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ কৃষকের জন্য একটি ইতিবাচক উদ্যোগ, যা উৎপাদন বাড়াতে এবং বাজারে সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর