ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

চলতি বছরে ৬টি পাটকল লিজ দেবে সরকার


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৭:২১ পিএম

চলতি বছরে দেশের ছয়টি বন্ধ পাটকল বেসরকারি খাতে লিজ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, এসব পাটকল পুনরায় চালু করে উৎপাদনমুখী কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বন্ধ মিল ইজারা সংক্রান্ত স্টেকহোল্ডারদের (অংশীজন) সঙ্গে এক জরুরি সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বন্ধ থাকা পাটকলগুলোর সার্বিক অবস্থা, নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং অবশিষ্ট মিলগুলোতে কীভাবে দ্রুত বিনিয়োগ আকর্ষণ করা যায়—এসব বিষয় পর্যালোচনা করতেই এই সভার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার চাইছে পাট খাতকে আবারও লাভজনক ও প্রতিযোগিতামূলক শিল্প হিসেবে গড়ে তুলতে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, ইতোমধ্যে কিছু পাটকল বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং সেগুলোতে বিনিয়োগকারীরা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগ করেছেন। এর ফলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং উৎপাদন কার্যক্রমে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে।

চলতি বছরে আরও ছয়টি পাটকল লিজ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব মিল চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। প্রতিটি পাটকলে এক হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, প্রতিটি পাটকলে প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০০ কোটি থেকে ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত নতুন বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে পাট শিল্পে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে সরকার আশাবাদী।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অনুযায়ী বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন সকল মিল ধাপে ধাপে পুনরায় উৎপাদনমুখী কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনা হবে। কিছু মিল পাট খাতে ব্যবহৃত হবে, আবার কিছু মিল ভিন্ন শিল্পখাতে রূপান্তরিত করে চালু করা হবে।

তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় শিল্পকে শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, তিনি টেক্সটাইল ও পাটকলগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করছেন এবং বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছেন। সরকার বন্ধ পাটকলগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে শিল্প খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার লক্ষ্যে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর