ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

লিবিয়া থেকে ১৭৪ বাংলাদেশির প্রত্যাবাসন


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৭:৪৬ পিএম

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় লিবিয়ার ত্রিপোলি থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তাদের ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়।

ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন বলে জানা গেছে। পরে তারা সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ, নির্যাতন ও চরম মানবেতর পরিস্থিতির শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিমানবন্দরে প্রত্যাবাসিতদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা অভ্যর্থনা জানান। এ সময় তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যাবাসিতদের তাদের অভিজ্ঞতা জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানায়। কর্মকর্তারা বলেন, এসব অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে অবৈধ অভিবাসন রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আইওএম জানায়, প্রত্যাবাসিত প্রতিটি ব্যক্তিকে প্রাথমিক সহায়তা হিসেবে যাতায়াত খরচ, খাদ্যসামগ্রী এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। প্রয়োজনে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য নিয়মিতভাবে কাজ চলছে। এই কার্যক্রমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা যৌথভাবে কাজ করছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি অত্যন্ত ভয়াবহ। অনেকেই দালালচক্রের প্ররোচনায় বিপজ্জনক পথে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করে পরে বিভিন্ন দেশে আটকা পড়ে মানবেতর পরিস্থিতিতে পড়েন। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি।

ফিরে আসা অনেকেই জানিয়েছেন, ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে দালালরা তাদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ নেয় এবং পরে লিবিয়ায় আটকে রেখে নির্যাতন করে। কেউ কেউ দীর্ঘদিন ডিটেনশন সেন্টারে মানবেতর অবস্থায় ছিলেন।

কর্মকর্তারা জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো বিদেশগামী কর্মীদের নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং মানবপাচার প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।


এ সম্পর্কিত আরো খবর