ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেললাইন হলে কমবে ১২০ কিমি পথ


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৮:৩০ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত সরাসরি রেলপথ নির্মাণ করা হলে উত্তরাঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে। এতে রেলপথের দূরত্ব কমার পাশাপাশি যাতায়াতে সময় ও খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০তম দিনের বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদে আখতার হোসেন বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার। রংপুর বিভাগসহ বগুড়ার যাত্রীদের ঢাকা যাতায়াতে অতিরিক্ত প্রায় ১২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়, যা সময়ের দিক থেকেও প্রায় চার ঘণ্টা বেশি লাগে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ঢাকা থেকে বগুড়ায় যেতে হলে সরাসরি কোনো রেলপথ নেই। যাত্রীদের নওগাঁ, নাটোর ও পাবনা হয়ে ঘুরপথে যেতে হয়। ফলে দূরত্ব বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার। অথচ বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত সরাসরি রেললাইন নির্মাণ করা গেলে এই দূরত্ব কমে প্রায় ২৮০ কিলোমিটারে নেমে আসবে।

আখতার হোসেন আরও জানান, ঢাকা থেকে রংপুরের বর্তমান রেলপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার। কিন্তু বগুড়া-সিরাজগঞ্জ সংযোগ স্থাপন করা হলে ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেললাইনই যথেষ্ট হবে। এতে মোট দূরত্ব প্রায় ১২০ কিলোমিটার কমে যাবে এবং যাতায়াতে উল্লেখযোগ্য সময় সাশ্রয় হবে।

তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষ প্রায় দুই দশক ধরে এই রেলপথ নির্মাণের আশায় রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে প্রকল্পের কথা শোনা গেলেও এখনো বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। জমি অধিগ্রহণের কথা বলা হলেও প্রকল্পটি কবে কার্যকর হবে, তা এখনও অনিশ্চিত।

সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, এই রেললাইন বাস্তবায়িত হলে রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, জয়পুরহাট ও বগুড়া জেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। ঢাকা-উত্তরাঞ্চল যাতায়াত সহজ হবে এবং যাত্রীদের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে।

তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চল কৃষিপ্রধান এলাকা হওয়ায় এখানকার কৃষিপণ্য দ্রুত ও কম খরচে ঢাকায় আনা সম্ভব হবে। বর্তমানে দীর্ঘ পথের কারণে পরিবহন খরচ বাড়ছে, যা কৃষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

আখতার হোসেন বলেন, অতিরিক্ত পথ অতিক্রমের কারণে জ্বালানি খরচ বেড়ে যায় এবং যাত্রীদের ভাড়াও বেশি দিতে হয়। সরাসরি রেললাইন হলে এসব সমস্যার সমাধান হবে।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি তাঁর নির্বাচনী এলাকা কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার রেলস্টেশন আধুনিকায়নের দাবিও জানান তিনি।



এ সম্পর্কিত আরো খবর