ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

রিজওয়ানের গো-কার্টে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান


রিজওয়ানের গো-কার্টে মুগ্ধ তারেক রহমান

  • আপলোড সময় : শনিবার ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৫:০৫ পিএম

কলেজছাত্র রিজওয়ান রশীদের উদ্ভাবিত ‘গো-কার্ট’ বা রেসিং কার চালিয়ে তাকে উৎসাহ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁও কার্যালয় প্রাঙ্গণে এই উদ্ভাবনটি পরিদর্শন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, পরিদর্শনের একপর্যায়ে রিজওয়ান রশীদের তৈরি গো-কার্টটি নিজেই চালিয়ে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি তরুণ উদ্ভাবকের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও নতুন উদ্ভাবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে উৎসাহ দেন।

জানা গেছে, কলেজছাত্র রিজওয়ান রশীদ এইচএসসি পরীক্ষার পর নিজের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে স্থানীয় যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই গো-কার্টটি তৈরি করেন। মাত্র এক লাখ টাকার মধ্যে সীমিত ব্যয়ে নির্মিত এই রেসিং কারটি তৈরি করতে তার সময় লেগেছে প্রায় দুই থেকে তিন মাস। সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে তৈরি এই যানটি স্থানীয়ভাবে পরীক্ষিত এবং নিরাপত্তা বিবেচনায় ডিজাইন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের উদ্যোগকে সবসময় উৎসাহ দেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

তিনি আরও বলেন, তরুণদের হাতে নতুন ধারণা ও প্রযুক্তির বিকাশ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই তাদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হলে ভবিষ্যতে আরও বড় উদ্ভাবন সম্ভব হবে।

এদিকে রিজওয়ান রশীদের এই উদ্ভাবন ইতোমধ্যেই স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তার তৈরি গো-কার্টটি স্বল্প খরচে কার্যকর একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের মধ্যে প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিষয়ে আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে কাজের সুযোগ তৈরি করা হলে তাদের সৃজনশীলতা আরও বিকশিত হবে। একই সঙ্গে উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার আওতায় আনলে দেশের প্রযুক্তি খাত আরও এগিয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে তরুণদের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা মনে করছেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এমন উৎসাহ পেলে নতুন প্রজন্ম আরও উদ্ভাবনী কাজে আগ্রহী হবে এবং দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর