ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৫ বছরে চট্টগ্রাম বোর্ডে সর্বনিম্ন পাসের হার: ফল নেমেছে ৫২.০৭% এইচএসসিতে পাসের বড় বিপর্যয়: ফেল করেছেন ৬ লাখ ২৩ হাজার দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫.৯৮%, কমেছে পাস ও জিপিএ-৫ এইচএসসিতে পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা বোর্ড, পেছনে বরিশাল এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য ৪ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য সুখবর উচ্চ মাধ্যমিকে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ শিক্ষার্থী এইচএসসি ফলে পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫ এ ছেলেরা বিনা ভোটে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন বিএনপি দেখে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এইচএসসিতে ১৩৯ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস, কমেছে সাফল্যের হার মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩,২৫০ জন

হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর, শ্রেণিকক্ষে নেই শিক্ষক—এমপির ক্ষোভ


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৪ মে, ২০২৬ সময় : ৮:১৭ পিএম

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বানিয়াগাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকা সত্ত্বেও এক শিক্ষকের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।

স্থানীয় সূত্র ও দলীয় নেতা-কর্মীদের বরাতে জানা যায়, সোমবার (৪ মে) দুপুরে বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে যান এমপি হিলালী। এসময় বিদ্যালয়ের ৬ জন শিক্ষকের মধ্যে একজন ছুটিতে থাকায় ৫ জন শিক্ষক উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে সরেজমিনে পাওয়া যায় মাত্র ৪ জন শিক্ষককে।

আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকা সত্ত্বেও হেলেনা আক্তার ডলি নামের এক শিক্ষিকাকে বিদ্যালয়ে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নজরে এনে এমপি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পরিদর্শন বহিতে তা লিপিবদ্ধ করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের কাছেই ওই শিক্ষিকার নানাবাড়ি থাকায় তিনি প্রায়ই বিদ্যালয় চলাকালীন সময় বাইরে চলে যান, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার আকন্দ বলেন, এমপি মহোদয় আসার সময় সহকারী শিক্ষিকা হেলেনা আক্তার ডলি স্কুলে উপস্থিত ছিলেন না। তবে তিনি সকালে এসে ক্লাস নিয়েছিলেন এবং পরে স্কুল থেকে বের হওয়ার সময় আমাকে জানাননি। এমপি মহোদয় কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে চলে যাওয়ার সময় তিনি স্কুলে ফিরে আসেন, তখন আমি তাকে এমপি মহোদয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিই। কিন্তু এর আগেই এমপি মহোদয় পরিদর্শন খাতায় মন্তব্য লিখে যান যে, তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও জানান, হেলেনা আক্তার ডলি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। বয়সজনিত কারণে তিনি প্রায়ই অসুস্থ থাকেন। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের পাশেই তার মামার বাড়ি থাকায় তিনি মাঝেমধ্যে সেখানে যান।

এ বিষয়ে জানতে শিক্ষিকা হেলেনা আক্তার ডলির সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালনে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন, যাতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর