ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

রাজধানীতে চিপস তৈরির কারখানায় আগুনে পুড়ে ২ কর্মচারীর মৃত্যু


  • আপলোড সময় : সোমবার ২৫ মে, ২০২৬ সময় : ৩:৪১ পিএম

রাজধানীর বাড্ডায় একটি চিপস তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন মোস্তফা (২১) ও মাহমুদুল হাসান (২৩)। সোমবার (২৫ মে) ভোর সোয়া ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ভেতর থেকে তাদের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বাড্ডা কবরস্থান রোডের পূর্ব বাড্ডা এলাকায় ‘মারিয়া আব্দুল্লাহ ফুড’ নামের একটি চিপস তৈরির কারখানায় রাত আনুমানিক ২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন নেভানোর পর কারখানার ভেতর থেকে দুই কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বাড্ডা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্টসার্কিট থেকেই আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ভেতর থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।”

কারখানার আরেক কর্মচারী মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, কারখানায় মোট ১০ জন কর্মচারী ছিলেন। তারা সবাই রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে দুইতলায় ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক ২টার দিকে ধোঁয়া ও গরম হাওয়ায় তাদের ঘুম ভেঙে যায়। এরপর তারা নিচে নামার চেষ্টা করেন। বেশিরভাগ কর্মচারী বের হতে পারলেও মোস্তফা ও মাহমুদুল বের হতে পারেননি।

তিনি আরও জানান, আগুন লাগার পর নিচতলায় দ্রুত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং সবাই আতঙ্কে বাইরে বের হয়ে যান। পরে আগুন নেভানোর পর দুইতলা থেকে তাদের মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহত মোস্তফা ও মাহমুদুল হাসানের বাড়ি রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায়। তাদের মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি কারখানাটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বৈদ্যুতিক সংযোগের মান নিয়েও যাচাই করা হবে।

স্থানীয়রা বলছেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কারখানায় পর্যাপ্ত অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। তারা নিয়মিত মনিটরিং ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর