ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

মশা মারতে ফ্লোরিডা ও লাইট দেখতে ফ্রান্স

সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী?


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৪ জুন, ২০২৬ সময় : ৫:১১ পিএম

বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারি অর্থায়নে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিদেশ সফর নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক ও সমালোচনা নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে সম্প্রতি এই পুরোনো বিষয়টি আবারও দেশের আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়রসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার একটি প্রস্তাবিত বিদেশ সফর নিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া একটি কঠোর ও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্যকে ঘিরে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের বিদেশ সফরের জন্য পেশ করা নথিতে বা ফাইলে দেওয়া এক লিখিত মন্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি বলেন, “মশক নিধন শেখা বা দেখার জন্য আমেরিকার ফ্লোরিডায় যাওয়ার দরকার নেই।

দেশেই সন্ধ্যার পর যেকোনো ডোবার পাশে দুই-তিন ঘণ্টা অবস্থান করলেই মশক নিধনের অনেক উদ্ভাবনী পদ্ধতি বের করা সম্ভব হবে।” সরকারপ্রধানের এই মন্তব্যটি কেবল একটি সাধারণ রসিকতা বা কৌতুহক হিসেবে নয়, বরং দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ‘সরকারি বিদেশ সফর’ সংস্কৃতির প্রতি একটি স্পষ্ট, কঠোর ও নীতিগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বার্তা হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকেরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন সচেতন মহলে প্রধানমন্ত্রীর এই বাস্তবমুখী মন্তব্য ব্যাপকভাবে প্রশংসিত ও সমাদৃত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই কঠোর বার্তার পর থেকেই সরকারি কোষাগারের বিপুল অর্থ ব্যয়ে বিদেশ সফরের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা, কার্যকারিতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে এক বড় প্রশ্ন উঠেছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—মশা নিয়ন্ত্রণের মতো একটি সাধারণ ও স্থানীয় কৌশল জানতে কি আসলেই কর্মকর্তাদের লাখ লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে যেতে হয়? কিংবা সরকারি প্রকল্পের স্কুলের মধ্যাহ্নভোজ বা খিচুড়ি রান্না শেখার জন্য কি ইউরোপ সফর করা অপরিহার্য? পুকুর খনন করা, সড়কবাতি ব্যবস্থাপনা কিংবা অন্যান্য অতি মৌলিক সেবার অভিজ্ঞতা অর্জনে বিপুল রাষ্ট্রীয় অর্থে বিদেশ ভ্রমণ কতটা প্রয়োজন বা আদৌ যৌক্তিক কি না, তা নিয়ে বিতর্ক এখন তুঙ্গে।

দেশের সাবেক সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তারাও স্পষ্ট বলছেন যে, এ ধরনের বিদেশ সফর সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়, বিলাসিতা এবং দেশীয় বাস্তবতার সঙ্গে চরমভাবে সামঞ্জস্যহীন। তা ছাড়া বর্তমান প্রশ্নটি কেবল দুই-একটি নির্দিষ্ট সফরকে ঘিরে নয়, বরং সামগ্রিকভাবে সরকারি খাতে বিদেশ সফরের মূল উদ্দেশ্য, বাস্তব কার্যকারিতা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহি নিয়ে। এসব উচ্চব্যয়ী সফর সত্যিই কি দেশের কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কোনো ভূমিকা রাখছে, নাকি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা আমলাতান্ত্রিক সুবিধা ও একটি প্রাতিষ্ঠানিক ভ্রমণ সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠেছে—সেটিই এখন মূল পর্যালোচনার বিষয়।

রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের এই চলমান বিতর্কের পালে সর্বশেষ হাওয়া দিয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একটি সম্ভাব্য ফ্রান্স সফর। তীব্র অভিযোগ উঠেছে, অত্যন্ত সাধারণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী সড়কবাতির প্রযুক্তি স্বচক্ষে দেখতে ইউরোপের দেশ ফ্রান্সে যাওয়ার এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন বর্তমান প্রশাসক মাহফুজুর রহমান। অথচ বাস্তব চিত্র হলো, রাজশাহী মহানগরীতে ইতোমধ্যে এশিয়ার দেশ চীন এবং ইউরোপের পোল্যান্ডে উৎপাদিত অত্যন্ত আধুনিক ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী সড়কবাতি স্থাপন করা হয়েছে।

এর মধ্যেই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ‘সিগনিফাই বাংলাদেশ লিমিটেড’ তাদের ‘ডিসপ্লে সিটি’ ও বিশেষ প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী কর্মকর্তাকে ফ্রান্স সফরের এক বিলাসী আমন্ত্রণ জানিয়েছে। সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগের চূড়ান্ত অনুমতি ও ভিসা পাওয়া গেলে আগামী ২০ বা ২১ জুন প্রায় ১০ দিনের এক দীর্ঘ সফরে ফ্রান্সে পাড়ি জমাতে পারেন প্রশাসক মাহফুজুর রহমান এবং সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) এবিএম আসাদুজ্জামান।

এই সফরের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা ও অভিযোগ ওঠার পর বুধবার রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম দেশের গণমাধ্যমকে জানান, গত ১২ মে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো এক অফিসিয়াল চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিগনিফাই বাংলাদেশ লিমিটেডের বিশেষ আমন্ত্রণে তাঁরা ফ্রান্সে গিয়ে সিগনিফাইয়ের আউটডোর লাইটিং অ্যাপ্লিকেশন (ওএলএসি) সেন্টার পরিদর্শন করবেন এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী সড়কবাতি প্রযুক্তি সম্পর্কে বাস্তব ধারণা নেবেন। তবে এই ব্যাপক সমালোচনার জবাবে প্রশাসক মাহফুজুর রহমান নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেছেন, এটি কেবলই একটি প্রযুক্তি পরিদর্শনের আমন্ত্রণ। এর সঙ্গে সিটি করপোরেশনের কোনো ধরনের কেনাকাটা বা মালামাল সরবরাহ চুক্তির সম্পর্ক নেই। তা ছাড়া সফরের বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। স্থানীয় সরকার বিভাগের আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়া বিদেশে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই, আর সেই অনুমতিও এখনও পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশে প্রায় প্রতি বছরই কোনো না কোনো সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কর্মকর্তাদের এই ধরনের বিদেশ সফর নিয়ে বড় বড় বিতর্ক তৈরি হয়। কখনো মশক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা দেখতে, কখনো স্কুলের মধ্যাহ্নভোজ বা খিচুড়ি কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করতে, আবার কখনো সাধারণ পুকুর খনন, ড্রেনেজ বা নালা-নর্দমা ব্যবস্থাপনা, কৃষি উন্নয়ন কিংবা স্থানীয় সরকার পরিচালনা বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের নামে দেদারছে কর্মকর্তাদের বিদেশে পাঠানো হয়েছে। এসব সফরের পক্ষে সাধারণত কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ‘আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জন’ এবং ‘সেরা চর্চা বা বেস্ট প্র্যাকটিস সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার’ নানা গালভরা যুক্তি তুলে ধরা হয়। তবে সমালোচকদের তীব্র প্রশ্ন, বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতার সঙ্গে যেসব পশ্চিমা বা উন্নত দেশের বিস্তর ফারাক রয়েছে, সেসব দেশের ব্যয়বহুল অভিজ্ঞতা কতটা কার্যকরভাবে বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে প্রয়োগ করা সম্ভব?

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নয়ন প্রকল্পের বাজেটের একটি নির্দিষ্ট অংশ প্রায় নিয়মিত ও নিয়মমাফিকভাবেই কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের জন্য আলাদা করে বরাদ্দ রাখা হয়। অনেক ক্ষেত্রে এই সফরগুলো প্রকল্পের মূল প্রয়োজনের চেয়ে কর্মকর্তাদের ‘প্রকল্প সুবিধা’ বা ব্যক্তিগত উপহার হিসেবেই বেশি গুরুত্ব পায়। ফলে একই ধরনের বিষয়ের ওপর বারবার বিদেশ সফর হলেও সেগুলোর বাস্তব কার্যকারিতা মূল্যায়নের কোনো সরকারি নজির দেখা যায় না। সফর থেকে অর্জিত জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা মাঠপর্যায়ে দেশের মানুষের কল্যাণে কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে, সে সম্পর্কেও কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। অনেকের মতে, মশক নিয়ন্ত্রণ বা খিচুড়ি রান্নার মতো বিষয়গুলো মূলত প্রতীকী উদাহরণ।

এর আড়ালে রয়েছে বিদেশ সফরকেন্দ্রিক একটি দীর্ঘদিনের কায়েমি প্রশাসনিক সংস্কৃতি। কারণ, বিদেশ সফরে অংশ নিলে কর্মকর্তারা বিশাল ভ্রমণ ভাতা ও দৈনিক ভাতাসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় আর্থিক সুবিধা পান। এছাড়া উন্নয়ন প্রকল্পে ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং’ বা দক্ষতা উন্নয়নের জন্য যে আলাদা বরাদ্দ থাকে, কিছু ক্ষেত্রে এই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার পরিবর্তে কেবল বিদেশ সফরের মাধ্যমে কৃত্রিম ব্যয় দেখানোর এক অশুভ প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু ঢাকার নালা-নর্দমা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নগর পরিকল্পনার মতো কাঠামোগত সমস্যার সমাধান মূলত স্থানীয় বাস্তবতায় কার্যকর উদ্যোগ ও জবাবদিহির ওপরই নির্ভর করে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের নামে এই সরকারি অর্থ ব্যয়ের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘অপরিহার্য প্রয়োজনে বিদেশে প্রশিক্ষণ নেওয়া যুক্তিসংগত হলেও বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই এসব সফরের যৌক্তিকতা চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।’ তাঁর মতে, প্রশিক্ষণের নামে বিদেশ সফর এখন দক্ষতা উন্নয়নের চেয়ে মূলত ‘সুবিধাভোগের’ হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে; যা কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার পুরোনো আমলাতান্ত্রিক সংস্কৃতিরই একটি ধারাবাহিকতা। ড. ইফতেখারুজ্জামান উল্লেখ করেন, খোদ সরকারপ্রধানের কঠোর অবস্থানের পরও এ ধরনের বিদেশ সফরের উদ্যোগ অব্যাহত থাকা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। সড়কবাতি ব্যবস্থাপনা শেখার মতো সাধারণ বিষয়েও বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। জনগণের করের টাকা ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও জবাবদিহির তাগিদ দিয়ে তিনি এর বিরুদ্ধে একটি সুস্পষ্ট ও কঠোর নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান।

অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী বলেন, “পুকুর খনন শেখার জন্য বিদেশে যাওয়ার দরকার নেই, মশা মারার জন্যও বিদেশ সফরের প্রয়োজন নেই। এ ধরনের অনেক সফর আসলে রাষ্ট্রের সম্পদের অপচয়। আমাদের দেশে এসব বিষয়ে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা ও বাস্তব জ্ঞান রয়েছে। দেশের সমস্যা দেশের বাস্তবতার আলোকে এবং দেশের উপযোগী প্রযুক্তি ব্যবহার করেই সমাধান করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমি বিদেশে প্রশিক্ষণের বিপক্ষে নই। তবে সেটি হতে হবে প্রয়োজনভিত্তিক। অনেক সময় দেখা যায়, একজন কর্মকর্তা একটি মন্ত্রণালয়ের হয়ে বিদেশে প্রশিক্ষণ নিয়ে এলেন, কিন্তু কিছু দিন পরই তাকে অন্য মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হলো। তখন ওই প্রশিক্ষণের জ্ঞান কতটা কাজে লাগল? কাউকে বিদেশে পাঠানোর আগে দেখতে হবে প্রশিক্ষণটি তার বর্তমান দায়িত্বের সঙ্গে কতটা সম্পর্কিত। অন্যথায়, এসব সফরের সুফল রাষ্ট্র বা জনগণের কাছে পৌঁছায় না।” তিনি আক্ষেপ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ব্যবস্থায় বিদেশ সফর এক ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক প্রণোদনা বা ব্যক্তিগত গাড়ি ও বাসভবনের মতো একটি বিলাসবহুল সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে, যা দ্রুত বন্ধ হওয়া উচিত।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর