ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ঢাকা শহরে ঘর থেকে বেরিয়ে নিঃশ্বাস নেওয়ার পরিবেশ নেই: মির্জা ফখরুল


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৬ জুন, ২০২৬ সময় : ৩:২৯ পিএম

বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঢাকা মহানগরকে বাসযোগ্য মনে হয় না। নিশ্বাস নেওয়ার অবস্থা নেই। প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এ অবস্থা থেকে বের হতে না পারলে বসবাস করতে পারবেন না। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ফাস হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের দক্ষিণ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক একটি নতুন আন্দোলন শুরু করতে যাচ্ছেন। সেই আন্দোলন ঢাকা শহরকে রক্ষা করবার আন্দোলন। সেই আন্দোলন ঢাকা শহরে যারা নাগরিক আছেন তাদের মুক্ত বাতাস নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করার আন্দোলন, বাস করার জন্য একটা বাসযোগ্য শহর তৈরি করার, নগর তৈরি করার আন্দোলন। এই আন্দোলন আমাদের নগরবাসীকে আন্তরিক করবে বলে আমার বিশ্বাস।

মির্জা ফখরুল বলেন, আরও দেশপ্রেমের সঙ্গে কাজ করা দরকার এবং সত্যিকার অর্থেই সেই কমিটমেন্ট বা অঙ্গীকার থাকা দরকার, যে অঙ্গীকার থেকে আমরা কাজ করতে পারি ভবিষ্যৎকে সুন্দর করার জন্য। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগর আমাদের বাস করার জায়গা। কিন্তু আজকাল আমার নিজেরই মনে হয় যে আমি ঢাকা শহরে থাকবো না। কারণটা হচ্ছে যে, ঘর থেকে বেরিয়ে নিঃশ্বাস নেওয়া যায় না। হাসপাতালে যাবেন! সেখানে ঢোকাই যাবে না। প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান এখানে ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে।

নিজের ছাত্রজীবনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, কলেজে যাওয়ার সময় আমরা আসতাম বুড়িগঙ্গাতে নৌকায় ঘুরে বেড়ানোর জন্য। এখন সেই বুড়িগঙ্গার কাছে যাওয়া যায় না। এত দূষণ, এত দুর্গন্ধ। তুরাগ নদীরও একই অবস্থা। ঢাকা শহরে নদীগুলোকে তো বিশুদ্ধ করার চেষ্টা করতে হবে। অথচ এত প্রজেক্ট বা প্রকল্প হয়, এই বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার কোনো প্রকল্প তৈরি হয় না।


এ সম্পর্কিত আরো খবর