ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

হামের থাবায় ঝরল আরও ৮ প্রাণ, মোট মৃত্যু ৬২৮


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৮ জুন, ২০২৬ সময় : ৭:৩১ পিএম

সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুদের মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জন হামের উপসর্গ নিয়ে এবং ১ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। সোমবার (৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৬২৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯২ জনের। অন্যদিকে, হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৩৬ জন শিশু। এছাড়া একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৭৭৯ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে এসেছে ৮০ হাজার ১০৪ জন শিশু।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের অন্যান্য বিভাগের তুলনায় ঢাকা বিভাগে হামের প্রকোপ এবং মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগে এখন পর্যন্ত হাম ও উপসর্গ নিয়ে মোট ২৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪ হাজার ১৮১ জন। শিশুদের মধ্যে এই সংক্রামক রোগের ভয়াবহ বিস্তার অভিভাবক মহলে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা দ্রুত শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি জোরদার এবং আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দিচ্ছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে যেভাবে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, তাতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা আরও কঠোর করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। হাম প্রতিরোধে নিয়মিত টিকাদানের কোনো বিকল্প নেই। অনেক ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে টিকা না দেওয়ার কারণে শিশুরা এই মরণঘাতী ভাইরাসের ঝুঁকিতে পড়ছে। বিশেষ করে ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে আক্রান্তের হার বেশি হওয়ায় সেখানে স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, হামের উপসর্গ দেখা দিলেই দেরি না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। এছাড়া শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত বিশ্রামের দিকে নজর দিতে হবে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে আক্রান্ত শিশুদের অন্যান্য শিশুদের থেকে দূরে রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, টিকাদান ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে খুব দ্রুত এই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানো সম্ভব হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর