ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

রাজধানীতে গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা’ পলাশের মৃত্যু


  • আপলোড সময় : শনিবার ২০ জুন, ২০২৬ সময় : ৩:৫০ পিএম

রাজধানীর রামপুরায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হওয়ার দীর্ঘ এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে পরিচিত ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইল্লা পলাশ। গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক একটার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় হাতিরঝিল থানা পুলিশ।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ জুন রামপুরায় অবস্থিত বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবনের উল্টো দিকে নিজ বাসার কাছাকাছি এলাকায় ওত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্তের গুলির শিকার হন পলাশ। দুর্বৃত্তরা তাঁকে লক্ষ্য করে পর পর কয়েকটি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন এবং পরিবারের সদস্যরা তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় এক সপ্তাহ পর তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এই চাঞ্চল্যকর গুলির ঘটনার পর কাইল্লা পলাশের স্ত্রী বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছিলেন। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পলাশের মৃত্যুর পর এখন এই মামলাটি আইন অনুযায়ী হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। দায়েরকৃত ওই মামলায় একাধিক সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিসহ বেশ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট আসামিদের গ্রেফতারে মাঠে নামে। ইতিমধ্যে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ইমাম হোসেন ও ফেরদৌস নামের দুজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য এবং এর পেছনে অন্য কোনো আন্ডারওয়ার্ল্ডের শত্রুতা বা অভ্যন্তরীণ কোন্দল রয়েছে কি না, তা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। হাতিরঝিল থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতারে আইনি কার্যক্রম জোরদারভাবে চলমান রয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর