ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

পদ্মা ব্যারাজ: বদলে যাবে ২৪ জেলার ভাগ্য, সুফল সারাদেশে


  • আপলোড সময় : শনিবার ২০ জুন, ২০২৬ সময় : ৪:১৯ পিএম

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের উন্নয়নযাত্রায় এবার যোগ হয়েছে এক ঐতিহাসিক মেগা প্রকল্প ‘পদ্মা ব্যারাজ’। এই যুগান্তকারী প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের কৃষি উৎপাদন, শিল্পায়ন, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে এক অভূতপূর্ব জোয়ার আসবে, যা সরাসরি বদলে দেবে দেশের ২৪টি জেলার অবহেলিত ভাগ্য। একই সঙ্গে নদী ব্যবস্থাপনা, সামগ্রিক পরিবেশ এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানদণ্ডে বড় ধরনের বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে অত্যন্ত জোরালো আশা প্রকাশ করছেন দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকেরা। দেশের নদীভাঙন, শুষ্ক মৌসুমে তীব্র সেচ সংকট এবং দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক বৈষম্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখন এক নতুন আশার আলো ছড়াচ্ছে এই পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প। পানিসম্পদ ও কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্পটির পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন ও পরিকল্পিত সম্প্রসারণ বাস্তবায়িত হলে সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি, কৃষি খাতের সার্বিক উৎপাদন, গ্রামীণ কর্মসংস্থান, জলবায়ু ও মানুষের জীবনযাত্রায় এক আমূল পরিবর্তন লক্ষ করা যাবে।

এ বিষয়ে দেশের পানিসম্পদ মন্ত্রী ও নীতিনির্ধারক মহল স্পষ্ট করে বলেছেন, পদ্মা ব্যারাজ শুধু একটি সাধারণ নদীকেন্দ্রিক বা পানি নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প নয়, এটি মূলত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অবহেলিত কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা এবং অর্থনৈতিক মুক্তির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। দীর্ঘদিনের নাব্যতা সংকট, পলি জমে যাওয়া এবং সীমিত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার কারণে এতদিন এই অঞ্চলের নদীগুলোর পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আধুনিক নদী ব্যবস্থাপনা, বিশাল পানি সংরক্ষণাগার নির্মাণ, সেচ সুবিধা ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ, স্থায়ী নদীভাঙন রোধ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আকস্মিক বন্যা নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এই মেগা প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ২৪টি জেলার অন্তর্গত ১৬১টি উপজেলার প্রায় পাঁচ কোটি মানুষের প্রত্যক্ষ কৃষি উৎপাদন বহুগুণ বাড়বে, গ্রামীণ পর্যায়ে লাখ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং সামগ্রিক আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের হাওয়া বইবে। আর এর চূড়ান্ত সুফল সরাসরি ও পরোক্ষভাবে দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।

আমাদের দেশের অভিজ্ঞ কৃষিবিদদের নিখুঁত হিসাব অনুযায়ী, এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের ফলে অবহেলিত অঞ্চলের প্রায় ২ লাখ হেক্টরেরও বেশি এক ফসলি কৃষিজমি অনায়াসে দুই ফসলি জমিতে এবং ১ লাখ হেক্টরের বেশি উর্বর জমি তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব হবে। সবচেয়ে বড় আশার কথা হলো, বঙ্গোপসাগর থেকে ধেয়ে আসা সাগরের ক্ষতিকর লবণাক্ত পানি বদলে দিয়ে কৃষকের ফসলি জমিতে পৌঁছে যাবে পদ্মার সুপেয় ও উর্বর মিঠা পানি। যা কৃষি জমির প্রাকৃতিক উর্বরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদনে এক বিরাট ও ঐতিহাসিক বিপ্লব এনে দেবে। এতে বছরে অতিরিক্ত কয়েক মিলিয়ন টন উদ্বৃত্ত খাদ্যশস্য উৎপাদনের এক সোনালী সুযোগ সৃষ্টি হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বোরো ধানের গড় উৎপাদন প্রতি হেক্টরে মাত্র ৪.৫ থেকে ৫ টন। তবে এই প্রকল্পের আওতায় নিরবচ্ছিন্ন সেচ সুবিধা এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই উৎপাদন অনায়াসে হেক্টর প্রতি ৬ থেকে ৭ টন পর্যন্ত উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করছেন দেশের কৃষি গবেষকেরা। একইভাবে গমের উৎপাদন প্রতি হেক্টরে ৩.৫ টন থেকে বাড়িয়ে ৪.৫ টন, ভুট্টার উৎপাদন হেক্টর প্রতি ৮ টন থেকে উন্নীত করে ১০-১২ টন এবং আলুর গড় উৎপাদন ২৫ টন থেকে বাড়িয়ে ৩০-৩৫ টন পর্যন্ত অনায়াসে বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।

পদ্মা পাড়ের জেলা রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের সংসদ সদস্য ও সরকারের সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এই মেগা প্রকল্প প্রসঙ্গে অত্যন্ত আবেগঘন ও রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, “পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নের আশায় বুক বেঁধে আছে বছরের পর বছর নদীভাঙনের শিকার হওয়া পদ্মা পাড়ের সাধারণ জনগণ। তারা এই ঐতিহাসিক প্রকল্পের সুফল নিজেদের ঘরে তুলতে এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।” তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে রাজবাড়ীসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪ জেলার জনগণ বিশেষভাবে ও চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকবে। কারণ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আন্তরিকতা, দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া এই মেগা প্রকল্প কখনোই হয়তো জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) পাস হতো না। ইতোমধ্যে এই বিশাল প্রকল্প একনেক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে, যা দেশের জন্য এক বড় গৌরব।” সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, দেশের আধুনিক নদী ব্যবস্থাপনা ও কৃষি উৎপাদনে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এখন আর কোনো কাল্পনিক স্বপ্ন নয়, বরং এটি এখন এক দৃশ্যমান ও ধাবমান বাস্তবতা।

পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞদের মতে, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দীর্ঘদিনের অভিশাপ নদীভাঙন ও আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এক অভূতপূর্ব নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা পাড়ের জেলাগুলোতে তীব্র নদীভাঙন, বর্ষার আকস্মিক বন্যা এবং নদীর খামখেয়ালি গতিপথ পরিবর্তনের কারণে প্রতিবছর হাজার হাজার পরিবার গৃহহীন ও নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। এই প্রকল্পের আওতায় আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক নদী ব্যবস্থাপনার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এই বার্ষিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তীব্র পানিসংকট চিরতরে দূর করতে এবং এই অঞ্চলের মরে যাওয়া মৃতপ্রায় নদীগুলোকে নতুন যৌবনে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার প্রায় ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা বিশাল ব্যয়ে এই পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা এই মেগা প্রকল্পের নির্মাণকাজ আগামী ২০৩৩ সালের জুনের মধ্যে শতভাগ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন ব্যাপক বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষের গ্রামীণ জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হবে। সাধারণ কৃষকের বার্ষিক আয় গড়ে ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। পাশাপাশি উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহন, আধুনিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও দেশের বাজারে বিপণন খাতে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের বিশাল বাজার সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আনুষ্ঠানিক তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা নদীর বাংলাদেশ অংশের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৪১ কিলোমিটার। এর মধ্যে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন স্থানে তীব্র নদীভাঙনের কারণে কয়েকশ হেক্টর মূল্যবান কৃষিজমি নদীগর্ভে চিরতরে বিলীন হয়ে যায়। গত দুই দশকে পদ্মা নদী বিধৌত বিভিন্ন এলাকায় আনুমানিক ৮ থেকে ১০ হাজার হেক্টরেরও বেশি উর্বর কৃষিজমি নদীভাঙনের কবলে পড়েছে। পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলাগুলোতে প্রতিবছর গড়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার পরিবার প্রত্যক্ষভাবে নদীভাঙনের চরম ঝুঁকির মুখে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে মাথা গোঁজার বসতভিটা, ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রামীণ সড়ক এবং ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তবে আধুনিক এই প্রকল্পের আওতায় নদীর নাব্যতা রক্ষায় নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম, স্থায়ী তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ এবং নদীর প্রবাহ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে নদীভাঙনের বার্ষিক হার ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে আধুনিক জিওব্যাগ, কংক্রিট ব্লক ও স্থায়ী প্রতিরক্ষা অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি সুরক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হবে। পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন এই বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনায় অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রিত পানি প্রবাহ এবং দ্রুত নিষ্কাশনের চমৎকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যার ফলে বন্যার তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। বিশেষ করে নদীর পানিধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। এর মাধ্যমে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ মানুষকে বন্যা ও নদীভাঙনের স্থায়ী ঝুঁকি থেকে শতভাগ সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হতে পারে। একই সঙ্গে রক্ষা পাবে হাজার হাজার কোটি টাকার জাতীয় কৃষি উৎপাদন, আঞ্চলিক সড়ক, সেতু, স্কুল-কলেজ এবং সাধারণ মানুষের বসতভিটা।

অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন বিশ্লেষকদের মতে, এই মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি, শিল্প, পরিবহন, বিপণন এবং সেবা খাত মিলিয়ে লাখ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণের ফলে কৃষিযন্ত্র, উন্নত বীজ, সার ও কীটনাশকের বাজারে নতুন বিনিয়োগ বাড়বে। কৃষি উৎপাদন ব্যাপক বৃদ্ধি পাওয়ায় গুদামজাতকরণ, হিমাগার এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের চাহিদাও জ্যামিতিক হারে বাড়বে। ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ১ হাজারের বেশি নতুন ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কলকারখানা গড়ে ওঠার এক বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, আমাদের দেশে কৃষিভিত্তিক শিল্পে প্রতি ১ কোটি টাকা বিনিয়োগে গড়ে ২০ থেকে ৩০ জনের স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। সেই হিসেবে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট এলাকায় বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে এক থেকে দুই লাখ অতিরিক্ত কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর