ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

মিরপুরে যুবদল নেতাসহ ৩ জন গুলিবিদ্ধ, এক অস্ত্রধারী আটক


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৫ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৮:৫৬ এএম

রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরে এক ভয়াবহ ও চাঞ্চল্যকর গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত পৌনে ১২টার দিকে ঘটে যাওয়া এই আকস্মিক হামলায় কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র কর্মী মো. ইউসুফসহ মোট তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় লোকজনের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এবং দ্রুতই ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়।

প্রাথমিক তথ্যে দুজনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে আরও এক সাধারণ পথচারীর গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে আহত তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং চিকিৎসকরা তাদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন। ঘটনার পরপরই বিক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে এক অস্ত্রধারীকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করতে সক্ষম হন। আটক করা ব্যক্তির কাছে অস্ত্র ছিল বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে আটককৃত ওই হামলাকারীর নাম ও পরিচয় সংবাদমাধ্যমকে জানাতে পারেনি। কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, গোলাগুলির খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশের একাধিক দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং রক্তাত্ব অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উক্ত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং হামলার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে থানা পুলিশ।

রাজধানী মিরপুর এলাকার মতো ব্যস্ত ও জনবহুল স্থানে মধ্যরাতে এমন প্রকাশ্যে গুলি বর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে। যুবদল নেতাসহ রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর এই হামলার নেপথ্যে কোনো পূর্বশত্রুতা, রাজনৈতিক কোন্দল নাকি অন্য কোনো অপরাধমূলক উদ্দেশ্য জড়িয়ে রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে হঠাৎ করেই কয়েকটি গুলির বিকট শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। এরপরই মানুষজনকে ছোটাছুটি করতে দেখা যায়। ঘটনার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে অতি দ্রুত এই অপরাধের মূল রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হবে বলে আশ্বস্ত করেছে পুলিশ প্রশাসন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর