ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

বিশেষ অধিবেশন নয়, সেপ্টেম্বরের সংসদেই নির্বাচন করা হবে নতুন রাষ্ট্রপতি: আইনমন্ত্রী


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৫ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১:১২ পিএম

আগামী সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন এবং এর জন্য পৃথক কোনো বিশেষ অধিবেশন ডাকার প্রয়োজন নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি প্রকাশ করেন। সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আইনি কোনো পদক্ষেপ বা মামলা নেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী জানান, সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতির মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করা সমচীন হবে না। এর পাশাপাশি চট্টগ্রামের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, অতীতে জুলাই গণআন্দোলনে আহত ৮ জনের বিরুদ্ধে যদি কোনো মিথ্যা মামলা দায়ের হয়ে থাকে, তবে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। আইনমন্ত্রী আরও নিশ্চিত করেন যে বর্তমানে দেশের সীমান্তে 'এক্সট্রা কিলিং' বা বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। একই সাথে অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, অপরাধী যত বড় রাজনৈতিক নেতাই হোন না কেন, ধর্ষণের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলা কোনো অবস্থাতেই প্রত্যাহার করা হবে না।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী তাঁর নির্ধারিত পাঁচ বছরের দায়িত্বকাল ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, শারীরিক অসুস্থতা ও স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি প্রায় দুই বছর আগেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। সেই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতায় জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। সংবিধান অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সদ্যবিদায়ী মো. সাহাবুদ্দিনের দায়িত্বকাল ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম উত্তাল ও ঘটনাবহুল সময়। তাঁর মেয়াদকালেই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মুখে টানা ১৫ বছরের আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে, গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং পরবর্তীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে তিনি ভিন্ন তিনটি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনজন পৃথক সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা।


এ সম্পর্কিত আরো খবর