দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে জাতীয় সংসদ ভবনে গিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে স্পিকারের কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। বৈঠক শেষে সিইসি ও স্পিকারের নেওয়া যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতির নির্বাচনের তারিখ ও সার্বিক সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।
এর আগে গত ২৪ জুলাই দেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর ওইদিনই তাঁর পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন। পরবর্তীতে সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন নিজেই।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন রাষ্ট্রপতির ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব গ্রহণ করার কারণে জাতীয় সংসদ পরিচালনা সংক্রান্ত নীতি অনুসারে ডেপুটি স্পিকার বর্তমানে স্পিকারের দাপ্তরিক দায়িত্ব ও দায়িত্বভার পালন করছেন।
প্রচলিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ১৯৯১-এর স্পষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রধান 'নির্বাচনি কর্তা' হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এই আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্পিকারের সঙ্গে সরাসরি পরামর্শ ও আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি বা তফসিল ঘোষণা করবেন সিইসি। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সদস্য বা সংসদ সদস্যরা ভোট প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে থাকেন।