নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য বৈঠকে মিলিত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর। শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টার পর তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন সার্জিও গোর। বিজ্ঞপ্তিতে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক মেলবন্ধন জোরদারের অপার সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশকে একটি অগ্রাধিকারমূলক বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশ ইতিবাচক ও বাস্তবমুখী ফলাফল অর্জনে সমর্থ হবে।
উল্লেখ্য, কূটনৈতিক সফরে গত ৩০ জুলাই প্রথমাংশে ঢাকায় পদার্পণ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বিশেষ প্রতিনিধি। সফরের সূচনাতেই তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেন এবং পরদিন কক্সবাজারে অবস্থিত রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের পর আন্তর্জাতিক সামাজিক মাধ্যমে সার্জিও গোর জানান, দুই দেশের সুসম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনাটি অত্যন্ত ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয়।
একই সাথে বাংলাদেশের ভ্রমণ নিরাপত্তায় ইতিবাচক পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়ে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর জানান, স্টেট ডিপার্টমেন্ট মাঠপর্যায়ের সার্বিক স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে বাংলাদেশকে ভ্রমণের জন্য পূর্বের চেয়ে অধিকতর নিরাপদ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণসংক্রান্ত সতর্কতাবিন্যাসে বাংলাদেশকে লেভেল তিন থেকে এক ধাপ কমিয়ে লেভেল দুইয়ে নামিয়ে আনা হয়েছে। কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে দুই দেশের এই সুসম্পর্ক ও বোঝাপড়াকে দারুণ এক ইতিবাচক অর্জন বলে অভিহিত করা হচ্ছে।