আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নির্ভুল ও স্বচ্ছভাবে প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি জানান, সভায় দেশের কৃষকদের ডিজিটালাইজেশনের আওতায় নিয়ে আসার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করে বলেন, প্রস্তুতকৃত প্রতিটি কৃষক কার্ড হতে হবে ছবি ও কিউআর কোড সংবলিত।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব আরও জানান, কৃষক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে ইতোমধ্যে কৃষকদের নামে আলাদা ব্যাংক হিসাব খোলার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেছে।
মূলত কৃষি খাতে সরকারের দেওয়া আর্থিক ভর্তুকি, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ বিতরণ, সরকারি কৃষি প্রণোদনা এবং অন্যান্য সব ধরনের রাষ্ট্রীয় সহায়তা যেন কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর হস্তক্ষেপ ছাড়া সরাসরি, দ্রুত এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছানো যায়, সেই লক্ষ্যেই সরকার এই সর্বাধুনিক কৃষক কার্ড ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সর্বস্তরের কমবেশি ২ কোটি কৃষককে এই যুগান্তকারী কার্ড কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ গ্রহণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের গুরুত্ববহ পর্যালোচনা সভায় সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য ও শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর Shah শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন এবং বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের সভাপতি এস এম আমীর হামজা শাতিলসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিববৃন্দ ও উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ।