ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬,  ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ দেশকে বৈশ্বিক হালাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর রাজপথ থেকেই যেকোনো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী বর্তমান সরকারের অধীনে তথ্য বিভ্রান্তির সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী ১৬ বছরের সমস্যা ৫-৬ মাসে শতভাগ সমাধান সম্ভব নয়: মাহ্দী আমিন আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ আই ও প্রযুক্তি রূপান্তরের যুগে তরুণরাই নতুন সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যেই বন্ধ হবে শপিং মল ও দোকানপাট ২৮ জন শিক্ষকের ৩২ পরীক্ষার্থী, তাড়াশের দুই মাদ্রাসায় পাসের হার শূন্য ১৭ জন শিক্ষক, ১৮ জন শিক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ

আবারও আন্দোলনে নামার ইঙ্গিত ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির


  • আপলোড সময় : বুধবার ১২ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৭:১২ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে পুনরায় আন্দোলন শুরু করার ইঙ্গিত দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দ্বীপকে। বুধবার (১২ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি জানান, খুব শিগগিরই যন্তর মন্তরে তাঁদের দ্বিতীয় ধাপের আন্দোলন বা 'সিজন-২' শুরু হতে যাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীদের প্রশ্নের জবাবে অভিজিৎ বলেন, "ইনস্টাগ্রামে অনেকে মন্তব্য করছেন—কখন যন্তর মন্তরের সিজন-২ শুরু হবে। আমি তাঁদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, খুব শিগগিরই আমাদের এই আন্দোলনের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হতে যাচ্ছে।" তবে ঠিক কোন দাবি বা নির্দিষ্ট ইস্যুতে এই আন্দোলন শুরু হবে, সে বিষয়ে তিনি কিছু উল্লেখ করেননি। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের কাছে কী দাবি জানানো হবে, তা-ও তিনি স্পষ্ট করেননি।

সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন স্থানে তরুণেরা যেসব আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, সেগুলোর সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করার চেষ্টা করছে ককরোচ জনতা পার্টি। তারই অংশ হিসেবে উত্তরপ্রদেশের স্কুলশিক্ষার্থীদের একটি স্থানীয় আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছেন অভিজিৎ দ্বীপকে।

জানা গেছে, সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের হামিরপুর এলাকায় একটি ভাঙাচোরা রাস্তা সংস্কারের দাবিতে জেলা কালেক্টরের কার্যালয়ের দিকে মিছিল নিয়ে যায় শিক্ষার্থীরা। সেই মিছিলে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী ও ১০০ অভিভাবক অংশ নেন। ওই আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে অভিজিৎ দ্বীপকে বলেন, শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ার রাস্তার দিকে সরকারের অন্তত এক দশক আগেই নজর দেওয়া উচিত ছিল।

অনুষ্ঠানে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা আরও অভিযোগ করেন, তাঁদের রাজনৈতিক দলীয় সভা বা বৈঠক আয়োজনের জন্য কোথাও ভেন্যু দেওয়া হচ্ছে না। বিভিন্ন স্থান থেকে বলা হচ্ছে, 'উপর মহল' থেকে ভেন্যু না দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

অভিজিৎ দাবি করেন, একটি বৈঠকের জন্য হল পাওয়া গেলেও ইভেন্টের দিন সকালে হলের মালিককে সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দেশের তরুণ সমাজকে ভয় পায়। আর সে কারণেই নরেন্দ্র মোদির দল তাঁদের সভা-সমাবেশ আয়োজনে বাধা ও চাপ সৃষ্টি করছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর