ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

গ্রামাঞ্চলে ভয়াবহ লোডশেডিং; ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ঘুম


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৭:০৭ পিএম

রাজধানী ঢাকার সংলগ্ন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী গ্রামের বাসিন্দা ছোয়াইদ হাসান নুজাইম। স্থানীয় বরমী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর কাছে দিনের বড় একটি সময় বিদ্যুৎ না থাকাটা এখন আর নতুন কোনো বিষয় নয়। কারণ, বিদ্যুৎ একবার চলে গেলে আবার কখন ফিরে আসবে—তার কোনো নির্দিষ্ট নিশ্চয়তা নেই। ফলে ঘরে পড়ার টেবিলে বসার সময় যেমন তাকে তীব্র গরমে আকুল হয়ে বিদ্যুতের জন্য অপেক্ষা করতে হয়, তেমনি স্কুলের শ্রেণিকক্ষেও পাঠগ্রহণের সময় অপেক্ষা করতে হয় একটু স্বস্তির বাতাসের জন্য।


ছোট নুজাইমের আক্ষেপ, দিন ও রাতের বেশিরভাগ সময়ই তাদের এলাকায় বিদ্যুৎ থাকে না। যার ফলে বাসায় ঠিকমতো পড়াশোনা করা সম্ভব হয় না। আবার স্কুলেও প্রচণ্ড গরম লাগে, ফ্যান বন্ধ থাকলে শরীর ঘেমে যায় এবং ক্লাসের পড়ায় একেবারেই মনোযোগ ধরে রাখা যায় না।


এই কষ্টকর অভিজ্ঞতা শুধু শিশু নুজাইমের একার নয়; বরমী ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের এখন প্রায় একই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। দিনের তীব্র গরমের মধ্যে শ্রেণিকক্ষে বসে থাকা শিক্ষার্থীদের মাথার ওপর ফ্যান ঝুললেও বিদ্যুৎ না থাকার কারণে তা সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে থাকে। গরম থেকে নিভার পেতে কেউ খাতা বা বই দিয়ে বাতাস করে, কেউ বারবার পানি পান করে, আবার কেউবা অস্থির চোখে তাকিয়ে থাকে বন্ধ হয়ে থাকা ফ্যানের দিকে। এতে করে শিক্ষকেরা আন্তরিকভাবে পাঠদান চালিয়ে গেলেও শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আটকে থাকে প্রচণ্ড অস্বস্তি, গরম আর বিদ্যুৎ আসার আকুল অপেক্ষায়। ফলে জাতীয় বিদ্যুৎ পরিস্থিতির মতো শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনাও এখন রুটিনের বাইরে চলে যাচ্ছে।


শুধু দিনের বেলার ক্লাসেই নয়, রাতের বেলার অনবরত লোডশেডিংও শিক্ষার্থীদের সার্বিক পড়াশোনায় তৈরি করছে নতুন সংকট। স্থানীয় আরেকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল আহাদ জানায়, রাতে পড়তে বসার সময় বিদ্যুৎ না থাকলে পুরো পড়াশোনা বন্ধ রাখতে হয়। বাড়িতে বিকল্প আলোর ব্যবস্থা থাকলেও তীব্র গরম ও কষ্টের কারণে দীর্ঘসময় বই নিয়ে মনোযোগ দিয়ে বসে থাকা সম্ভব হয় না। এর সঙ্গে নতুন মাত্রা যোগ করে ঘুমের মারাত্মক ব্যাঘাত। ফলে পরদিন সকালে ঘুমভেঙে স্কুলে গিয়েও শরীর ও মন দুটোই ভীষণ ক্লান্ত থাকে।


আব্দুল আহাদ আক্ষেপ করে বলে, রাতে বিদ্যুৎ না থাকলে গরমে ঘুমাতে কষ্ট হয়। পড়তেও পারি না। সকালে স্কুলে গেলে প্রচণ্ড ঘুম ঘুম লাগে। ফলে ক্লাসে মনোযোগ দিতে তখন আরও বেশি কষ্ট হয়।


নুজাইম ও আহাদের এই করুণ অভিজ্ঞতা দেশের বিভিন্ন মফস্বল এবং গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য শিক্ষার্থীর বর্তমান নিত্যদিনের বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে। দিনের বেলায় অব্যাহত লোডশেডিংয়ে শ্রেণিকক্ষের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে, আর রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় পুরোপুরি নষ্ট হচ্ছে তাদের নিজস্ব পড়াশোনা ও ঘুমানোর সময়। স্কুলের নিয়মিত ক্লাস, বাড়ির কাজ, পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতি কিংবা পরদিনের পাঠ পরিকল্পনা—সবকিছুতেই তৈরি হচ্ছে মারাত্মক ছন্দপতন। বিদ্যুৎ কখন থাকবে আর কখন থাকবে না—তার এই দীর্ঘ অনিশ্চয়তায় অনেক শিক্ষার্থীই নিয়মিত পড়াশোনার একটি নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলতে পারছে না।


শিক্ষার্থীদের এই সীমাহীন দুর্ভোগের পেছনের কারণ খুঁজতে গিয়ে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির অত্যন্ত উদ্বেগজনক চিত্র সামনে এসেছে। চলতি শ্রাবণ মাসের শেষভাগে এসে দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১০ আগস্ট দেশে দৈনিক লোডশেডিংয়ের পরিমাণ হয়েছে ২ হাজার ৭২২ মেগাওয়াট। ২০২৪ সালের একই দিনের লোডশেডিংয়ের হিসাবের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়—মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে এই ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ১৮ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ২০২২ সালের একই সময়ে হওয়া ৫৫ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের তথ্যের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায় যে, পাঁচ বছরের ব্যবধানে দেশে মোট লোডশেডিং বেড়েছে প্রায় ৪৯ দশমিক ৫ গুণ।


পিডিবি সাধারণত সারা দিনের সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জাতীয় চাহিদার ওপর ভিত্তি করে একটি গড় লোডশেডিংয়ের হিসাব প্রদান করে। কিন্তু অন্য প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিিজসিবি) ঘণ্টার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ, মোট চাহিদা ও ঘাটতির সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করে থাকে। পিজিসিবির তথ্য বিশ্লেষণেও নির্দিষ্ট সময়ের চরম বিদ্যুৎ ঘাটতির ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ আগস্ট রাত ১টা থেকে ২টার মধ্যবর্তী সময়ে দেশের সর্বোচ্চ লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছিল ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট।


চলতি ১৬ আগস্টের বিদ্যুৎ চাহিদার পূর্বাভাসেও সরবরাহের বড় ঘাটতির স্পষ্ট আশঙ্কা করা হয়েছিল। পিজিসিবির পূর্বাভাস অনুযায়ী, এদিন দিনের সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা ধরা হয়েছিল ১৫ হাজার ১৮০ মেগাওয়াট এবং রাতের বা সন্ধ্যার সর্বোচ্চ চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৭ হাজার ৮৫০ মেগাওয়াট। এর আগের দিন অর্থাৎ ১৫ আগস্ট জাতীয় পর্যায়ে প্রকৃত বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল ১৫ হাজার ৯১ মেগাওয়াট, অথচ বিপরীতে প্রকৃত চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ১৯০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ জাতীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যে এক বিশাল বড় ব্যবধান বা ঘাটতি রয়েই যাচ্ছে।


বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জাতীয় চাহিদার এই অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যবধানের চূড়ান্ত চাপ শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ছে দেশের সাধারণ জনগণের ওপর। এই তীব্র তাপদাহ ও চরম গরমের মধ্যে দিনের পর দিন মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে সবচেয়ে বেশি শারীরিক ও মানসিক ভোগান্তিতে পড়ছে কোমলমতি শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীরা। কারণ শ্রেণিকক্ষে বা ঘরে বিদ্যুৎ না থাকলে কেবল মাত্র ঘরের ফ্যানই বন্ধ হয় না, বরং একইসঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষগুলোর স্বাভাবিক বাতাসের প্রবাহও বন্ধ হয়ে যায়।


শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিচ্ছে, দিনের বেলায় ঘন ঘন লোডশেডিং হলে ক্লাসে দীর্ঘক্ষণ স্থির হয়ে বসে থাকাই অসম্ভব কষ্টকর হয়ে ওঠে। বিশেষ করে টানা কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলে তাপদাহে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তখন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে কী গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পড়াচ্ছেন, সেদিকে মনোযোগ দেওয়ার পরিবর্তে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মনোযোগ নিবন্ধ থাকে কখন বিদ্যুৎ আসবে কিংবা কখন একটু ঠাণ্ডা বাতাস পাওয়া যাবে সেদিকে। ফলে প্রতিদিন শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থেকেও তারা মূল পাঠ কতটুকু গ্রহণ বা আত্মস্থ করতে পারছে, তা নিয়ে বড় ধরণের প্রশ্ন উঠে আসছে।


শিক্ষকদের অভিজ্ঞতাও একই রকম হতাশাজনক। স্থানীয় শিক্ষকরা জানান, গ্রীষ্মের চরম গরমের মধ্যে ফ্যান বন্ধ থাকলে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে স্বাভাবিক মনোযোগী রাখা অত্যন্ত কঠিন কাজ। ফ্যান বন্ধ থাকায় তারা অতিরিক্ত ঘেমে যায় এবং শারীরিক অস্বস্তি বোধ করে। শিক্ষকরা পাঠদান চালিয়ে যাওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও শিক্ষার্থীদের মনোযোগের সিংহভাগ তখন থাকে ফ্যানের দিকে। বিশেষ করে প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্তরের ছোট শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে।


স্থানীয় একটি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক আমজাদ হোসেন জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই এলাকাটিতে তীব্র গরম পড়ছে। এর মধ্যে শ্রেণিকক্ষে বিদ্যুৎ না থাকলে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে মনোযোগী রাখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। ফ্যান বন্ধ থাকায় তারা ঘেমে যায় ও ছটফট করতে থাকে। শিক্ষকরা কষ্ট করে পাঠদান চালিয়ে যান, কিন্তু শিক্ষার্থীদের নজর থাকে বিদ্যুতের দিকে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরেকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জানান, দিনের বেলায় লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের যেমন ক্লাসে পড়ার ব্যাঘাত ঘটছে, ঠিক তেমনি রাতের দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাট তাদের বাসা-বাড়ির পড়াশোনা ও ঘুমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। রাতের বেলা শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো পড়তে না পেরে এবং গরমে ঘুমাতে না পেরে পরদিন স্কুলে এসে একদম অবসন্ন থাকে। এভাবে চলতে থাকলে সামগ্রিক ফলাফলেও ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে।


এর বাইরেও মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের সার্বিক উপস্থিতির ওপরও বেশ নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মন্তব্য করেন এই শিক্ষক।


এমন করুণ পরিস্থিতিতে অভিভাবকেরাও চরম উৎকণ্ঠা ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। অভিভাবক এনামুল হাসান আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান, পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার বিদ্যুৎ পরিস্থিতির চিত্র চরম ভয়াবহ। দিনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার কারণে সন্তানেরা রাতে মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারছে না, আবার গরমে ঘুমাতেও পারছে না। আইপিএস থাকলেও তা ঠিকমতো চার্জ দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। এই তীব্র সংকট দ্রুত নিরসন করা না হলে সন্তানদের ভবিষ্যৎ ও লেখাপড়া মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।


দেশজুড়ে চলমান এই গভীর বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে জাতীয় উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প কোনো পথ নেই বলে মনে করছেন বিশিষ্ট বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এবং কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম। তিনি জানান, এই পরিস্থিতির টেকসই সমাধানের জন্য দেশে বর্তমানে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা অলস পড়ে রয়েছে, সেটিকে পূর্ণ মাত্রায় কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। আর এই উৎপাদন সচল রাখতে হলে কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত প্রাথমিক জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতে সরকারের বিদ্যমান ভর্তুকি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা অপরিহার্য। কারণ গ্রামাঞ্চলের অসচ্ছল মানুষের কাছে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কোনো সামর্থ্য নেই; তাঁদের কাছে বিদ্যুৎ কোনো বিলাসিতা নয়, বরং জীবনের মৌলিক প্রয়োজনীয় সেবা।

আকাশজমিন / আরআর 



এ সম্পর্কিত আরো খবর