ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ১৪ বছর পর পর্দায় ফিরেই তোলপাড়, দেব-শুভশ্রীর রসায়নে নতুন গুঞ্জন টলিপাড়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা ৪৯৪ কোটি টাকার তামাক আটক পাকিস্তানে অ্যাম্বুলেন্সে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ৯ সখীপুরে মাটির নিচে মিলল দুটি বাক্স, উদ্ধার রকেট লঞ্চারসদৃশ ১২ বস্তু মদ ও সিগারেটের প্রলোভনে কিশোরকে বারবার যৌন নির্যাতন আমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিব আখতার আহমেদ আন্দোলনে সহিংসতায় জড়ালে মিলবে না সরকারি চাকরি: ভারতের নতুন নীতি হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পাই ড্রোন’ আটক করল ইরান এআই দেখে বিষাক্ত মদ তৈরি: ভারতে ১৩ জনের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে জরিমানা ও হর্ন বিনষ্ট


  • আপলোড সময় : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৮:৪৭ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ক্রমবর্ধমান শব্দদূষণ প্রতিরোধ এবং যানবাহনে বেআইনি হাইড্রোলিক হর্নের ব্যবহার নির্মূলের লক্ষ্যে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সড়কে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত ও তীব্র মাত্রার শব্দ সৃষ্টি করে পরিবেশ বিঘ্নিত করার অপরাধে একটি পরিবহনকে আর্থিক জরিমানা প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট যানবাহন থেকে দুটি ক্ষতিকর হাইড্রোলিক হর্ন খুলে নিয়ে তা জনসম্মুখে নষ্ট করা হয়।


রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যৌথ সহযোগিতায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের কৌশলগত বিভিন্ন পয়েন্টে এই সমন্বিত তদারকি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা রোধ করা এবং হাইড্রোলিক হর্নের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে পরিবহন চালক ও সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলাই ছিল এই যৌথ উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।


অভিযান চলাকালীন পরিবেশ সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত উচ্চশব্দ সৃষ্টি এবং সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন যুক্ত করে গাড়ি চালানোর অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় একটি মামলার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পরিবহনটিকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। শুধু জরিমানাতেই সীমাবদ্ধ না থেকে জব্দ করা দুটি হর্ন তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলেই বিনষ্ট করা হয়। এর পাশাপাশি মহাসড়কে চলাচলরত বিভিন্ন প্রান্তের অন্তত ১০টি দূরপাল্লার বাস, মালবাহী ট্রাক এবং স্থানীয় যাত্রীসেবায় নিয়োজিত অটোরিকশায় শব্দদূষণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক নির্দেশনা সংবলিত লিফলেট ও স্টিকার লাগিয়ে দেওয়া হয়।


মহাসড়কের এই বিশেষ মোবাইল কোর্টে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করেন মো. আতিকুর রহমান। এতে প্রসিকিউটর হিসেবে সরকারি আইনগত দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. রাখিবুল হাসান। অভিযানটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে নিষ্পত্তিতে সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা প্রদান করেন বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ দল।


অভিযান শেষে পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানান, মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণশক্তি সুরক্ষা ও পরিবেশবান্ধব সড়ক নিশ্চিত করতে এ জাতীয় অভিযান আগামী দিনগুলোতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে অব্যাহত থাকবে। চালকদের আইন মেনে গাড়ি চালানোর জোরালো তাগিদ দেওয়া হয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর