এভিয়েশন
খাতের সক্ষমতা আরও বাড়াতে মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে নতুন করে আরও ১১টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে স্থানীয় সময় আজ বুধবার বিকেল
৪টা ১৫ মিনিটে এই
চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র সফরকে কেন্দ্র করে দ্বিপক্ষীয় এই বড় বাণিজ্যিক
অগ্রগতি অর্জিত হতে চলেছে।
এর
আগে চলতি বছরের এপ্রিলে ৩ দশমিক ৭
বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার ঐতিহাসিক চুক্তি করেছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সেই চুক্তি অনুযায়ী প্রথম উড়োজাহাজ ২০৩১ সালে এবং শেষটি ২০৩৫ সালের মধ্যে বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের
দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া
বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
বাংলাদেশে নতুন বিমান যুক্ত হওয়ার ইঙ্গিত দিলেও সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেননি। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এই
বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়ে জানান, নিউইয়র্ক সফরেই চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে।
এদিকে
স্টার নিউজের একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আজ নির্ধারিত সময়ে
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম
রশিদুজ্জামান মিল্লাত স্বাক্ষর করবেন। চুক্তি স্বাক্ষর উপলক্ষে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন বিমানের চেয়ারম্যান রুবি এ হোসেন। এছাড়া
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বোয়িংয়ের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডন নেলসন একটি সৌজন্য বৈঠকে মিলিত হবেন বলে জানা গেছে। তবে নতুন যুক্ত হতে যাওয়া ১১টি উড়োজাহাজের সুনির্দিষ্ট মডেল, মোট মূল্য, অর্থায়নের কৌশল বা সরবরাহ সূচির
মতো বিস্তারিত তথ্যগুলো এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
বোয়িংয়ের
সঙ্গে চুক্তির পাশাপাশি আগামী মাসে ইউরোপীয় জায়ান্ট এয়ারবাসের সঙ্গেও আরেকটি চুক্তি হতে পারে বলে জানা গেছে, যার মাধ্যমে ফরাসি প্রতিষ্ঠানটি থেকে আরও ১০টি উড়োজাহাজ সংগ্রহ করতে পারে বাংলাদেশ। বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে মোট ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে, যার মধ্যে ১৪টি বোয়িং এবং বাকি ৫টি কানাডিয়ান কোম্পানির ড্যাশ-এইট মডেলের বিমান। নতুন এই চুক্তিগুলো বাস্তবায়িত
হলে জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার আকাশপথের সক্ষমতা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে সংশ্লিষ্টরা।