যুক্তরাষ্ট্রের
মিসৌরির কানসাস সিটিতে এক মাস বয়সী
শিশুকে খাটের বদলে ভুল করে ওভেনে রাখার ঘটনায় মারাইয়া থমাসকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড
দিয়েছেন আদালত। শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে এই সাজা দেওয়া
হয়েছে।
মঙ্গলবার
মারাইয়া থমাস আদালতে দোষ স্বীকার করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত
তাকে ‘শিশুর কল্যাণ বিপন্ন করে মৃত্যুর কারণ হওয়া’—এই অপরাধে ১৩
বছরের কারাদণ্ড দেন। তবে করা চুক্তির অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে থাকা প্রথম-ডিগ্রির হত্যা অভিযোগটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ঘটনাটি
ঘটে ২০২৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। ওই
দিন একটি বাড়িতে এক নবজাতক শ্বাস
নিচ্ছে না—এমন খবর
পেয়ে পুলিশ ও জরুরি সেবার
কর্মীরা সেখানে পৌঁছান। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা শিশুটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
পুলিশের
তদন্তকারীদের কাছে ঘটনার পরিস্থিতি শুরু থেকেই সন্দেহজনক মনে হয়। শিশুটির শরীরে পোড়ার চিহ্ন দেখতে পান ঘটনাস্থলে থাকা প্রথম সাড়াদানকারীরা। এ কারণে বিষয়টি
নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তদন্তে
উঠে আসে, শিশুটির বয়স তখন মাত্র এক মাস। মারাইয়া
থমাস কর্মকর্তাদের জানান, তিনি শিশুটিকে ঘুম পাড়ানোর জন্য শুইয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ভুলবশত শিশুটিকে খাটে না রেখে ওভেনের
ভেতরে রেখে দেন।
এরপর
শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাটি তদন্তের পর মারাইয়া থমাসের
বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়। মামলায় তার বিরুদ্ধে প্রথম-ডিগ্রির হত্যার অভিযোগও আনা হয়েছিল।
তবে
মঙ্গলবার আদালতে দোষ স্বীকার করার পর সমঝোতার ভিত্তিতে
হত্যা অভিযোগটি বাদ দেওয়া হয়। পরিবর্তে শিশুর কল্যাণ বিপন্ন করে মৃত্যুর কারণ হওয়ার অপরাধে তাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড
দেওয়া হয়েছে।
আদালতের
এই রায়ের মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি নিষ্পত্তি হলো।
সূত্র:
কেসিটিভি/গ্রে নিউজ