সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল ও নিয়োগপত্র বিতরণ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বর্তমানে কিছু মহল থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নানা ধরনের বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় সতর্কবার্তা দিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকারি যেকোনো দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও ভেটিং একটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত দাপ্তরিক প্রক্রিয়া, যা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো অবকাশ নেই।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানভীর মিয়া স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়। মন্ত্রণালয় জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মূলধারার গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অনভিপ্রেত। নিয়োগপ্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অসৎ উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহল এই ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারি চাকুরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের জাতীয় নিরাপত্তা ও চারিত্রিক সনদ যাচাইয়ের জন্য ভেরিফিকেশন এবং ভেটিং একটি বাধ্যতামূলক ও নিয়মিত প্রশাসনিক ধাপ। এই সংবেদনশীল যাচাই-বাছাইয়ের কাজের জন্য নির্দিষ্ট দাপ্তরিক সময়ের প্রয়োজন হয়, যা বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে।
উত্তীর্ণ ও অপেক্ষমাণ প্রার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যেসব যোগ্য ও সফল প্রার্থী এখনো আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র হাতে পাননি, তাদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। পরবর্তীতে সমস্ত দাপ্তরিক প্রক্রিয়া ও কাগজপত্র যথাযথভাবে এবং সূক্ষ্মভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সব বৈধ প্রার্থীর ঠিকানায় নিয়োগপত্র পাঠিয়ে দেওয়া হবে। অহেতুক গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে নিজ নিজ অবস্থানে ধৈর্য ধারণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।